শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

হিন্দুরাও ‘রোজা’ রাখেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Rajasthan Tourism_Logoআওয়ার ইসলাম ডেস্ক : ভারত যে শুধু সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার দেশ তা নয়, সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতিও আছে কোনো কোন প্রদেশে। ভারতের রাজস্থানের বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই আছে ধর্মীয় সম্প্রীতির নিদর্শন। এখানে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণ উভয়ের ধর্মের প্রতি সহানুভূশীল। হিন্দুদের দিওয়ালি ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেমন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করে ঠিক তেমনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও সেখানে ‘রোজা’ রাখে। অর্থাৎ রোজার মাসে মুসলমানদের মতো তারাও নির্দিষ্ট একটা সময় পানাহার থেকে বিরত থাকে।

রাজস্থানের এসব গ্রামের অনেক হিন্দু লোকজন এবারও তাই রাখছেন। শুধু তাই নয়, মুসলমান প্রতিবেশীদের মতো করে তারা মসজিদেও যান। তবে সেটা যতটা না প্রার্থনা, তারচেয়ে বেশি সংস্কৃতি। এখানকার এ নিয়ম চলে আসছে বহুকাল ধরেই। কেউ বলতে পারে না কীভাবে এ নিয়ম চর্চা করা শুরু হয়। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে অনেক হিন্দু আসে এ অঞ্চলে। বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই কে মুসলিম বা কে হিন্দু তা বোঝা যায় না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম / ওএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ