মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

এরদোগানের বিমানকে দেখেছিলো বিদ্রোহী বিমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

turk sky copyআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত শুক্রবারের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান মারমারার অবকাশ যাপন কেন্দ্র থেকে ইস্তাম্বুলে আসার সময় তার বিমানটি অভ্যুত্থানকারীদের দুটি এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের দুই পাইলট দেখে ফেলেছিলো। কিন্তু তারা বিমানটি ভূপাতিত করেনি।

তুরস্কের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ফার্স্ট আর্মির কমান্ডার উমিত দান্দার শুক্রবার দিবাগত রাতে এরদোগানের সাথে যোগাযোগ করে অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার বিষয়টি জানাতে পেরেছিলেন। এই খবর পেয়ে এরদোগান হোটেল ত্যাগ করেছিলেন। বিদ্রোহী সৈন্যরা যখন সেখানে পৌঁছে তাঁকে পায় নি। তিনি ইস্তাম্বুল রওনা হয়ে যান বিশেষ বিমানে।

এক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, অন্তত দুটি এফ-১৬ এস বিমান আকাশে এরদোগানের বিমানকে তাদের নজরদারিতে নিয়ে আসে। তারা এরদোগানের বিমানটি এবং তাকে পাহারা দেয়া অন্য দুটি এফ-১৬ এস জঙ্গিবিমানকে তাদের রাডারে নিবদ্ধ করে। তিনি বলেন, 'তারা কেন গুলিবর্ষণ করেনি, তা একটি রহস্য।'

এরদোগানকে হত্যা করতে পারলে অভ্যুত্থানটি সফল হয়ে যেতে পারতো। বিদ্রোহীরা তাকে হত্যা করার জন্য মারমারার ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রে তিনটি হেলিকপ্টারও পাঠিয়েছিল।

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ