সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

এরদোগানের বিমানকে দেখেছিলো বিদ্রোহী বিমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

turk sky copyআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত শুক্রবারের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান মারমারার অবকাশ যাপন কেন্দ্র থেকে ইস্তাম্বুলে আসার সময় তার বিমানটি অভ্যুত্থানকারীদের দুটি এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের দুই পাইলট দেখে ফেলেছিলো। কিন্তু তারা বিমানটি ভূপাতিত করেনি।

তুরস্কের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ফার্স্ট আর্মির কমান্ডার উমিত দান্দার শুক্রবার দিবাগত রাতে এরদোগানের সাথে যোগাযোগ করে অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার বিষয়টি জানাতে পেরেছিলেন। এই খবর পেয়ে এরদোগান হোটেল ত্যাগ করেছিলেন। বিদ্রোহী সৈন্যরা যখন সেখানে পৌঁছে তাঁকে পায় নি। তিনি ইস্তাম্বুল রওনা হয়ে যান বিশেষ বিমানে।

এক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, অন্তত দুটি এফ-১৬ এস বিমান আকাশে এরদোগানের বিমানকে তাদের নজরদারিতে নিয়ে আসে। তারা এরদোগানের বিমানটি এবং তাকে পাহারা দেয়া অন্য দুটি এফ-১৬ এস জঙ্গিবিমানকে তাদের রাডারে নিবদ্ধ করে। তিনি বলেন, 'তারা কেন গুলিবর্ষণ করেনি, তা একটি রহস্য।'

এরদোগানকে হত্যা করতে পারলে অভ্যুত্থানটি সফল হয়ে যেতে পারতো। বিদ্রোহীরা তাকে হত্যা করার জন্য মারমারার ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রে তিনটি হেলিকপ্টারও পাঠিয়েছিল।

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএফ