মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের গল্প বিশ্বাস করেন না ভারতীয় রাজনীতিকরাই!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

pak-borআওয়ার ইসলাম: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পাকিস্তানের দিকে জঙ্গীদের লঞ্চপ্যাডে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়েছে, ভারত এ কথা ঘোষণা করার পর এক সপ্তাহ না-ঘুরতেই সেই হামলার প্রমাণ পেশ করার জোরালো দাবি উঠতে শুরু করেছে সে দেশের ভেতরেই।

পাকিস্তান আগেই এই ধরনের কোনও হামলার কথা অস্বীকার করেছে - এখন ভারতেও বিভিন্ন বিরোধী দলের রাজনীতিকরা কেউ ঠারেঠোরে, কেউ সরাসরি বলছেন ভিডিও বা ছবির প্রমাণ ছাড়া এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে সত্যিই হামলা চালানো হয়েছে।

সরকার অবশ্য বুঝিয়ে দিয়েছে, তাদের এই মুহুর্তে কোনও প্রমাণ পেশ করার পরিকল্পনা নেই - এমন কী যারা প্রমাণ চাইছেন তাদের দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল বিজেপি।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ভারতের ডিরেক্টর জেনারেল মিলিটারি অপারেশনস পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের ভেতর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে সফল হামলা চালানোর কথা যখন ঘোষণা করেন, তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়ে দেয় সীমান্তে রুটিন শেলিং বা সংঘর্ষের বাইরে মোটেও কিছু হয়নি।

হামলা কি সত্যিই হয়েছে বা হলেও ঠিক কীভাবে হয়েছে, সে দিন থেকেই তা নিয়ে ভারতেরই কোনও কোনও মহলে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। কিন্তু এই হামলার যে প্রমাণ দেওয়া দরকার - প্রকাশ্যে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সে কথাটা প্রথম বলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার বক্তব্য ছিল, ‘পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে প্রমাণ করতে চাইছে আদৌ এরকম কোনও হামলা হয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব, তিনি যেমন সেনাবাহিনী ও অন্যদের সঙ্গে মিলে পাকিস্তানকে ধরাশায়ী করেছেন - সেভাবেই পাকিস্তানের এই মিথ্যা প্রচারকেও ভুল প্রমাণ করে দিন।’ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কেজরিওয়াল বিজেপির পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন। ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ পাল্টা প্রশ্ন তোলেন সেনাবাহিনীর শৌর্যবীর্যে কি তিনি বিশ্বাস করেন না?

প্রসাদ বলেন বলেন, ‘কেজরিওয়ালের যদি সত্যিই ভারতীয় সেনার বীরত্বের ওপর আস্থা থাকবে তাহলে কেন তিনি অযথা মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় প্রভাবিত হবেন?’ তবে ঘটনা হল, এই বিতর্কে পরোক্ষে সেনাবাহিনীকে টেনে এনেও সরকার বা শাসক দল প্রমাণ পেশের দাবি বন্ধ করতে পারেনি।ব