সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

বুকের দুধ খাওয়ালে কি উযু নষ্ট হয়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

childrenমুফতী আব্দুল্লাহ বিন রফিক:

সব মায়েদের কমবেশি এই মাসআলার প্রয়োজন হয়। অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দে ভোগেন, উযু ভাঙবে কি ভাঙবে না! তাই জীবনঘনিষ্ট এই জিজ্ঞাসা নিয়ে আজ কথা বলবো। ইসলামী আইন ও ফিকাহ শাস্ত্র মতে দুধ খাওয়ালে নারীদের অজু ভাঙে না।

কারণ এটি অজু ভঙ্গের কার্য ও কারণের আওতাভূক্ত নয়।অযূ নষ্ট হওয়ার যে কারণগুলো ইসলামি আইন ও ফিকাহ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে তা হলো,
১.পেশাব-পায়খানা করা বা বায়ু নির্গত হওয়া। ২.শরীর থেকে রক্ত,পুঁজ বা পানি জাতীয় নাপাক কিছু বের হয়ে গড়িয়ে পড়া। ৩.চিৎ,কাত বা হেলান দিয়ে ঘুম যাওয়া। ৪. মুখ ভরে বমি করা। ৫. নামাজে শব্দ করে হাসা। ৬. পাগল, মাতাল ও বেহুশ হওয়া।

এর ভেতরে শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে অজু ভাঙবে তা বলা হয়নি। তাহলে অজু ভাঙবে কেন?

অবশ্য কেউ বলতে পারেন, শরীর থেকে রক্ত পুঁজ বা এ জাতীয় কিছু বের হলে তো অজু ভেঙে যায়। দুধও তো রক্ত ও পুঁজের মতোই। তাই দুধ খাওয়ালেও অজু নষ্ট হওয়ার কথা। এখানে আমাদের মনে রাখতে হবে, ফিকহ বা মাসআলার গ্রন্থগুলোতে বলা হয়েছে, শরীরের থেকে রক্ত বা পুঁজ জাতীয় নাপাক কিছু বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে অজু ভেঙে যাবে।

মায়ের বুকের দুধ কি রক্ত বা পুঁজের মতো নাপাক? আদৗ না। দুধ শিশুর জন্য এক পবিত্র আহার্য। শিশুর পক্ষে তা আল্লাহর এক অপার নেয়ামত ও অসীম করুণা ছাড়া আর কী-ই বা বলা যেতে পারে! সুতরাং ফুকাহায়ে কিরামের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো, শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে অজু ভাঙবে না। তাই নারীদের এ বিষয়ে চিন্তিত হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই।

সূত্র: ফিকাহ বিশ্বকোষ ১৭/১১১