মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

ফেনীর সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ “চাঁদ খাঁ মসজিদ”

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

ফেনী জেলার খুবই প্রাচীন মসজিদটির নাম চাঁদ খা মসজিদ। ফেনী জেলার অন্তর্গত ছাগলনাইয়া উপজেলায় অবস্থিত এই মসজিদটি হিজরি ১১১২ সালে নির্মিত হয়েছিল বলে জানা যায়। তৎকালীন সময়ে চাঁদ গাজী ভুইয়া নামক এক ব্যক্তি ওই এলাকা শাসন করতেন, তিনিই এ মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে মসজিদের শিলালিপি পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায়। এই মসজিদের তিনটি গম্বুজই এক সারিতে অবস্থিত যেগুলোর মধ্যে মাঝখানের গম্বুজটির আকার অন্যান্য গম্বুজগুলোর তুলনায় বড়। চাঁদ গাজী ভুইয়া মসজিদের গম্বুজগুলোর উপরে পাতা এবং কলসের নয়নাভিরাম নকশা রয়েছে যা মসজিদের সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

গম্বুজগুলো ব্যতিত এই মসজিদের দেয়ালের উপর সমান্তরালভাবে ১২ টি মিনার রয়েছে যেগুলোর স্থাপত্যশৈলী একই ধরনের। মিনারগুলোর মধ্যে চারটি চার কোণায় অবস্থিত এবং বাকি ৮টি মিনার দেয়ালের উপর অবস্থিত। চাঁদ গাজী ভুইয়া মসজিদের পূর্ব দিকের দেয়ালে এবং সামনের দরজার উপরে টেরাকোটার নকশা রয়েছে। স্থানীয়দের অর্থায়নে এ মসজিদে কালক্রমে বেশ কিছু সংস্কার করা হয়েছে।

যাতায়াত: 

চাঁদগাজী ভুইয়া মসজিদ পৌছাতে সিএনজি অটোরিকশায় করে আপনাকে ছাগলনাইয়া উপজেলায় আসতে হবে। শেয়ারে আসলে আপনাকে ২০/- টাকা ভাড়া দিতে হবে এবং পুরো সিএনজি ভাড়া নিলে আপনাকে প্রায় ১০০/- টাকা ভাড়া গুনতে হতে পারে। ছাগলনাইয়া থেকে ১৫/-টাকা ভাড়ায় সিএনজি অটোরিকশায় করে চাঁদগাজী বাজারে পৌছাতে পারবেন। বাজার থেকে পায়ে হেঁটে অথবা রিকশায় করে চাঁদ গাজী ভুইয়া মসজিদে যেতে পারবেন। চাঁদগাজী ভুইয়া মসজিদটি বাজার থেকে মাত্র ১০ মিনিট থেকে ১৫ মিনিটের হাঁটা পথের দূরত্বে অবস্থিত।

 

<