এবার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ পেয়েছেন মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়া। জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা বইটির জন্য তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, গল্প ও ইতিহাস প্রাঞ্জল ভাষায় বলেন ও লেখেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলার অসামান্য শক্তির ব্যাপারে সুখ্যাতি আছে তার।
নিজের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো যথাযথ ভঙিমায় উচ্চারণ করতে জানেন তিনি। এইজন্যই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তার যে কোনো লেখা বা বক্তব্য পাঠকশ্রোতার মন ছুঁয়ে যায়। উদ্বুদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের বলিষ্ঠ চেতনায়।
অমর একুশে বইমেলার এ মৌসুমে, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে এবং জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা বইটি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পওয়াকে উপলক্ষ করে মুক্তিযোদ্ধা লেখক মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার মুখোমুখি হন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।
আপনি একত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অগ্রসেনানী। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। যুদ্ধ করেছেন। দেশ স্বাধীন করেছেন। একটি স্বাধীন পতাকা ও সবুজ মানচিত্র উপহার দিয়েছেন আমাদের। আমরা আপনার কাছে মুক্তিযুদ্ধের কিছু স্মৃতিময় গৌরবময় গল্প শুনতে চাই।
প্রথমত আমি কোনো অগ্রসেনানি নই। আমি মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনানি, এই পরিচয় দিতেই ভালোবাসি। আমার মতে, আমার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় একলক্ষ বিশ হাজার যোদ্ধা ছিল। আমি তাদেরই একজন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গোটা দেশের মানুষই আমাদেরকে সামগ্রিক সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। তাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি আর দশজনের মতোই একজন। অগ্রসৈনিক বলতে- যারা আমাদের পথপ্রদর্শন করেছে, যারা প্রথমে বিদ্রোহ করেছে।
সেটা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে হোক, সামরিক ক্ষেত্রে হোক। তারা অগ্রসেনানি, যারা নির্দেশনা দিয়েছে। তাদের দিকনির্দেশনায়ই দেশ মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত হয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পথে এগিয়ে গেছে।
গাঁয়ের লোকেরা তাদের জায়গা দিয়েছে। আপ্যায়ন করেছে। কখনও বলেনি, তোমরা আমাদের ছেড়ে চলে গেছ। কোনও সম্পর্ক রাখনি। এখন বিপদে পড়ে গোটা পরিবার নিয়ে এসেছ আশ্রয় নিতে। কোত্থেকে খাওয়াব। কিছু তো নেই। এধরণের কথা গ্র