শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ পেট্রল মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ইসরায়েল অশুভ শক্তি ও মানবতার জন্য অভিশাপ : খাজা আসিফ হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা অবিলম্বে উচ্ছেদে বন্দর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এক আবেদনের শুনানিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মুহা. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পাশাপাশি এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ১৯ মে দিন নির্ধারণ করেছেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আমরা আজ একটা আবেদন করেছিলাম।

শুনানিতে আমরা বলেছিলাম, পূর্বের আদেশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনারসহ আরও পাঁচজনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এখন যে জায়গাগুলোতে অবৈধ স্থাপনা আছে সে জায়গাগুলো মূলত বন্দরের অধীনে। এ জন্য আমরা বন্দরের চেয়ারম্যানকে একটি নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে একটি প্রতিবেদন দাখিলের আবেদন জানিয়ে শুনানি করি।

প্রসঙ্গত, কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ দখলসংক্রান্ত ২০১০ সালে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট দায়ের করা হয়। রিটের পর আদালত রুল জারি করেন।

ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মুহা. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল যথাযথ ঘোষণা করে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন। সেই রায়ের আলোকে চট্টগ্রাম বন্দরে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

তবে তা কয়েকদিন চলার পর বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পুণরায় আবেদন করে বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ