মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

উপমহাদেশের বৃহত্তম ভারতের আদিনা মসজিদ আজ মুসল্লি শূন্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ♦

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত ঐতিহাসিক আদিনা মসজিদ। এটি কেবল বাংলায়ই নয়, গোটা উপমহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম মসজিদ। এর পেছনের দেয়ালে প্রাপ্ত একটি শিলালিপি অনুসারে এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত হয় এটি। ইতিহাসের রাজসাক্ষ্যি এ মসজিদ আজ মুসল্লি শূন্য।

সিকান্দর শাহের মতো সুলতানের পক্ষে, যিনি ১৩৬৯ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে আরব ও পারস্যের সুলতানদের মধ্যে যোগ্যতম এবং পরে ‘বিশ্বাসীদের খলিফা’ বলে ঘোষণা করেছিলেন, এ ধরনের একটি মসজিদ নির্মাণ ছিল তার সম্পদ ও প্রতিপত্তির স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ।

এ কথা বলাই বাহুল্য যে, একজন সুলতান যিনি নিজেকে দামেস্ক, বাগদাদ, কর্ডোভা অথবা কায়রোর খলিফাদের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি ওই সকল রাজধানী শহরের মসজিদগুলির আকার ও আড়ম্বরের সঙ্গে তুলনীয় একটি মসজিদই নির্মাণ করবেন।

বিস্ময়ের ব্যাপার হলো এ যে, শুধু আকার-আয়তনেই আদিনা মসজিদ ওই নগরীসমূহের মসজিদগুলির সঙ্গে তুলনীয় নয়, নকশা ও গুণগত দিকেও এটি বিশ্বের সেরা মসজিদগুলির সমকক্ষ।

‘আদর্শ’ মসজিদ পরিকল্পনায় থাকে তিনদিকে খিলান দ্বারা আচ্ছাদিত পথ এবং কিবলামুখী বিশাল প্রার্থনা কক্ষের মাঝখানে মুক্ত প্রাঙ্গন। এ বৈশিষ্ট্যগুলি আদিনা মসজিদে রয়েছে, তাই এটি একটি ‘আদর্শ’ মসজিদ।

মসজিদটির দেয়ালগুলির নিচের অংশ পাথর বাঁধানো ইট ও অন্য অংশগুলি কেবল ইটের। এর আয়তন এখনও যথার্থভাবে লিপিবদ্ধ হয় নি, তবে কোণের পলকাটা স্তম্ভসমূহসহ বাইরের দিকে প্রায় ১৫৫ মি × ৮৭ মি এবং ভেতরের দিকে খিলান আচ্ছাদিত পথসহ ১২২ মি × ৪৬ মি বলে গ্রহণ করা যেতে পারে।

উন্মুক্ত প্রাঙ্গনের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্বদিকে ১২ মিটার প্রশস্ত খিলানপথে তিনটি ‘আইল’ এবং ২৪ মিটার প্রশস্ত প্রার্থনাকক্ষে পাঁচটি ‘আইল’ আছে, প্রার্থনা কক্ষকে বিভক্ত করেছে একটি প্রশস্ত খিলানছাদ দ্বারা আচ্ছাদিত কেন্দ্রীয় ‘নেভ’।

আয়তন ২১১০ মিটার এবং এক সময় উচ্চতা প্রায় ১৮ মিটার, বর্তমানে এটি পতিত। এর বিস্তারিত সমীক্ষার অনুপস্থিতিতে, প্রস্তর স্তম্ভসমূহের দ্বারা গঠিত বর্গক্ষেত্রগুলির উপর নির্মিত মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা ৩০৬ এবং ৩৭০ বলে অনেকের ধারণা।

ক্রো-এর মতানুসারে, এ সংখ্যা ২৬০। স্তম্ভগুলি ভিত্তিমূলে বর্গাকার, মধ্যস্থলে গোলাকার এবং উপরে শীর্ষস্থানের দিকে বাঁকা। প্রার্থনা কক্ষের উত্তরে খিলান দ্বারা আচ্ছাদ