শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

নাগরিক তালিকায় নাম নেই ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসামের চূড়ান্ত নাগরিক নিবন্ধন তালিকা বা ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস (এনআরসি)-এ জায়গা পাননি ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। ভারত রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান ছিলেন যিনি, আজ তার পরিবারই কি না রাষ্ট্রহীন।

গতকাল শনিবার আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তথা এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকায় আঁতিপাতি করে খুঁজেও পাওয়া গেল না ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতির ফকরুদ্দিন আলি আহমেদের আত্মীয়দের নাম।

গত বছর এনআরসি দ্বিতীয় খসড়া তালিকাতেই ফকরুদ্দিনেরর ছোট ভাইসহ একাধিক সদস্যের নাম না থাকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এনআরসি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব প্রমাণে যথাযথ নথিপত্র পেশ করতে।

সেইমতোই কাজ করেছিলেন ফকরুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা। কোথাও কোনো ত্রুটিই ছিল না। তা সত্ত্বেও দিনশেষে নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ তারা। আজ রাষ্ট্রহীন একদা রাষ্ট্রপতির স্বজন।

২০১৮র জুলাইতে প্রকাশিত হয়েছিল নাগরিকপঞ্জির দ্বিতীয় খসড়া। সেখানেই দেখা গিয়েছিল, পরলোকগত রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ, তার পরলোগত ভাই একরামুদ্দিন আলি এবং ভাইপো জিয়াউদ্দিনের নাম নেই।

যদিও রয়েছেন ফকরুদ্দিনের ছেলে পারভেজ ও তার পরিবারের সদস্যদের নাম। বাকিদের নাম নথিভুক্ত করতে বংশলতিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছিল তাদের। সেইমতো তা পেশও করা হয়। আশা ছিল, নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণের পরীক্ষায় পাশ করে যাবেন।

চূড়ান্ত তালিকায় ঠিক উঠবে তাদের নাম। কামরূপের রঙ্গিয়ায় ফকরুদ্দিন এবং তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বসবাস। সাদামাটা গ্রাম্য জীবন পরিবারের সকলের। তাই নাগরিকত্ব প্রমাণ করা নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র দ্বিধাও ছিল না।

কিন্তু এনআরসি তালিকা তৈরির হরেক জটিল পদ্ধতি। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে সেই কর্মযজ্ঞ শেষে শনিবারের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা গেল, তাদের সমস্ত উদ্যোগ নিষ্ফল।

আশা ভেঙে চুরমার। তাহলে এবার কি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের দুয়ারে গিয়ে নিজেদের ‘বিদেশি’ তকমামুক্ত করতে হবে ফকরুদ্দিনের পরিবারকে? এই প্রশ্নের উত্তর ভেবেই দিশেহারা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ