শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

'মুসলিমদের বাদ দিতেই এনআরসি রাজনৈতিক প্রতিশোধ'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি’কে রাজনৈতিক প্রতিশোধ আখ্যায়িত করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি কখনোই তার রাজ্যে বিজেপিকে এনআরসি করতে দেবেন না। এনআরসির উদ্দেশ্য মুসলিমদের বাদ দেয়া।

তিনি বলেছেন, দিল্লিতে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যের সম্পদ গ্রাস করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। তারা এনআরসি করার মধ্য দিয়ে এমন নামে আখ্যায়িত করে ওইসব ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের’ উৎখাত করতে চায়।

রাজ্য বিধানসভায় এভাবেই এনআরসি ও বিজেপির বিরুদ্ধে শুক্রবার ক্ষোভ ঝাড়েন মমতা।

বিধানসভায় তিনি আরো জানান, এই ইস্যুতে একই অবস্থানে আছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমার। ১৮৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে এনআরসি নিয়ে বিধানসভায় মমতা বলেন, আমি নিতিশ কুমারের সঙ্গে কথা বলেছি।

তিনি আমাকে বলেছেন, তার রাজ্যেও এনআরসি করতে দেবেন না তিনি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি এটাকে (এনআরসি) হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে, বাঙালি ও অবাঙালি, বাঙালি ও রাজবংশীদের মধ্যে ফাটল ধরাতে।

মমতার ভাষায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি প্রণয়নের কাজ শুরু করতে চায়। তারা চায় জনগণের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করতে। কিন্তু আমরা কখনোই বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেবো না।

তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ‘অ্যাডভাইজরি’ দিয়ে পরিচালিত হয় গণতন্ত্রের সব ভিত্তি। এনআরসির তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বহু প্রকৃত ভারতীয় নাগরিককে। আসাম চুক্তির অংশ হিসেবে আসামে এনআরসির নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট- এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন মমতা। তিনি বলেন, আসামে যা প্রযোজ্য তা পুরো দেশে প্রয়োগ করা যায় না।

আসামে বিজেপির সাম্প্রতিক উত্থানের দিকে খোঁচা দিয়ে মমতা বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল এনআরসি তালিকা করে মুসলিমদেরকে বাদ দেয়া। এ জন্যই তারা এনআরসির প্রথম তালিকা থেকে ৪১ লাখ মানুষকে বাদ দিয়েছিল।

‘পরে তারা দেখতে পেয়েছে, তাদের এই উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে না। তাই পরে এই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে ১৯ লাখে। আসামে যাদেরকে এভাবে বাদ দেয়া হয়েছে তাদের বেশির ভাগই বাংলাভাষী। এ ছাড়া সেখানে বসবাসকারী প্রায় এক লাখ গোরখাকে বাদ রাখা হয়েছে।”

এরপরই মমতা দার্জিলিংয়ের বিধায়কের প্রতি প্রশ্ন্ ছুড়ে মারেন। তিনি প্রশ্ন করেন, আমাà¦