মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান রাষ্ট্রপতি ও এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়ত মহাসচিবের বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যক্রম

২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যদি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে ২০২৪ সালে আমরা উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাব এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে আমাদের অবস্থান হবে।

আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশকে আমরা কীভাবে গড়তে চাই, ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমরা কীভাবে এগিয়ে যাব, এটা শুধু শহরের মানুষের জন্য নয়, গ্রামের মানুষরাও যেন পিছিয়ে না থাকে, প্রতিটি মানুষের জীবন যেন অর্থবহ হয়, সেটিকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন থেকেই আমরা সরকার গঠনের পর বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। ফলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ তা চিহ্নিত করেই পরিকল্পনামতো এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নদীগুলো ড্রেজিং করতে হবে। নাব্য বাড়াতে হবে। তাহলে বন্যার হাত থেকে আমরা মুক্তি পাব। আর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে আমরা অনেক ভূমিও উদ্ধার করতে পারব। সেসব ভূমি কৃষিকাজসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারব। নদীতে নাব্য থাকলে যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ৭৮ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি।

আমরা ২১ বছর পর সরকার গঠন করে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাও গ্রহণ করি, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করি। ষষ্ঠ শেষ করে, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, তা চিহ্নিত করেই আমরা পরিকল্পনামতো এগিয়ে যাচ্ছি।

-এটি