শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যদি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে ২০২৪ সালে আমরা উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাব এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে আমাদের অবস্থান হবে।

আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশকে আমরা কীভাবে গড়তে চাই, ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমরা কীভাবে এগিয়ে যাব, এটা শুধু শহরের মানুষের জন্য নয়, গ্রামের মানুষরাও যেন পিছিয়ে না থাকে, প্রতিটি মানুষের জীবন যেন অর্থবহ হয়, সেটিকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন থেকেই আমরা সরকার গঠনের পর বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। ফলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ তা চিহ্নিত করেই পরিকল্পনামতো এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নদীগুলো ড্রেজিং করতে হবে। নাব্য বাড়াতে হবে। তাহলে বন্যার হাত থেকে আমরা মুক্তি পাব। আর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে আমরা অনেক ভূমিও উদ্ধার করতে পারব। সেসব ভূমি কৃষিকাজসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারব। নদীতে নাব্য থাকলে যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ৭৮ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি।

আমরা ২১ বছর পর সরকার গঠন করে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাও গ্রহণ করি, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করি। ষষ্ঠ শেষ করে, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন জায়গাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, তা চিহ্নিত করেই আমরা পরিকল্পনামতো এগিয়ে যাচ্ছি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ