মিজানুর রহমান
লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি>
দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এমন অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর দরজায় কড়া নাড়ছে। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যে জনসাধারণ ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদেরকে কর্মস্থল ত্যাগ না করতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।
এদিকে, বান্দরবান লামা উপজেলাকে দেশের অন্যান্য উপজেলার তুলনায় সার্বিক বিবেচনা করে করোনা বিস্তার রোধে কেউ যেন ঈদে লামায় প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে আজ শুক্রবার থেকে লামা থানা কঠোর অবস্থানে থাকবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে লামা থানার পক্ষ থেকে ফেসবুকে প্রচারিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মাস প্রায় শেষের পথে। ঈদুল ফিতর অতি নিকটে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশ জুড়ে ঈদের কোন আমেজ নেই। কারণ সারাদেশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। যার পরিবারের একজন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শুধু সেই ব্যক্তিই এ জ্বালা বুঝে।
বর্তমানে আপনাদের সুস্থতাই আমাদের একমাত্র চাওয়া। সেই লক্ষ্যে লকডাউন ও হোম কোয়ারেন্টিন বাস্তবায়নে আমরা সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই লামা থানার একজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লামা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

তাতে আরও বলা হয়, যেখানে সারাদেশে ২৫ হাজারেরও অধিক লোকের করোনা পজেটিভ, সেখানে লামা উপজেলায় এখন পর্যন্ত মাত্র পাঁচ বা ছয় জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আপনাদের সহযোগিতা এবং আমাদের পরিশ্রমের ফল স্বরূপ দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তুলনায় লামা উপজেলা অনেক ভালো অবস্থানে আছে। আসুন আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করি।
সামনে ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে কোন ব্যক্তি যেন বাহিরের এলাকা থেকে লামা উপজেলায় প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে লামা থানা কঠোর অবস্থানে থাকবে। আপনাদের পরিবারের কেউ যাতে ঈদ উপলক্ষ্যে লামা থানা/উপজেলায় প্রবেশ না করে। প্রয়োজনে এ সংবাদ মোবাইল ফোনে তাদেরকে জানিয়ে দিন।
ঈদ উপলক্ষ্যে লামায় প্রবেশ করলে নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা হবে-
১. জেল বা জরিমানা বা জেল-জরিমানা উভয়ই। ২. পুরুষের ক্ষেত্রে, লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও লামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন আর মহিলার ক্ষেত্রে, লামা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন।
কেউ এ অনুপ্রবেশে সহা