আওয়ার ইসলাম: ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমিরসহ নেতাদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে সেগুলো তদন্তের পর আর এগোবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতের ইসলামের পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের নায়েবে আমির মাওলানা নূরুল ইসলাম। এ সময় হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসব মামলাকে ‘ভয়াবহ ও সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের স্পষ্ট আলামত’ উল্লেখ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ বলেছে, ‘হেফাজতের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। মামলাটি এখন পিবিআই তদন্ত করছে। আশা করি, তাদের তদন্তের পর মামলা আর এগোবে না। সরকারও মামলা নিয়ে আর সামনের দিকে এগোবে না বলে আমরা প্রত্যাশা করি।’
‘বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আলোচনায় বসার জন্য এরই মধ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে আবেদন জানিয়েছি। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খুব শিগগিরই বৈঠক হবে। সেখানে আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা করছি’, যোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা।
ভাস্কর্য বিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ এনে গত ৬ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে আবেদন করেন।
এর পরের দিন ৭ ডিসেম্বর একই অভিযোগ এনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল হেফাজতের এই তিন নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে এই মামলা করা হয়।
একই সময়ে মাওলানা মামুনুল হককে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক। একই বাদী আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকà