মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

ঘরোয়া চিকিৎসায় জেনে নিন কিছু ঔষধি গাছের নাম ও গুনাগুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সানজিদা তামান্না

প্রাচীনকাল থেকেই নানা ঔষধি কাজে বিশেষ করে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ওষুধের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে আমাদের আশপাশে থাকা অনেক গাছপালা, উদ্ভিদ বা তরুলতা । তাই ঘরোয়া উপায়ে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে আসুন জেনে নিই উপকারী কিছু উদ্ভিদের নাম-

নিম : ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকে নিমের পাতা শুকিয়ে ছোট ছোট ট্যাবলেট বানিয়ে সকাল বিকেল খেয়ে থাকেন। এছাড়া বহুকাল থেকে চিকেন পক্স, চামড়ার অ্যালার্জির মতো সমস্যায় নিমের পাতা গরম পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পোকা মাকড়ের কামড়ে ক্ষত হলে, সেখানে নিম আর হলুদের রস একসাথে মিশিয়ে লাগাতে পারেন। দাঁতের ব্যথার জন্য নিমের ডালের রস ব্যবহার করা যায়।

সজনে : উচ্চ রক্তচাপ ও লিভারের বিভিন্ন ওষুধে সজনে পাতা ও ফল ব্যবহার হয়। সজনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কাচা রসুনের সঙ্গে সজনে গাছের পাতা একসাথে মিলিয়ে খেয়ে বাতের ব্যথা উপশম হয়। এছাড়া এই গাছের পাতা ও ফল অনেক পুষ্টিকারক বলে গবেষণায় দেখা গেছে। রুচি বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এই গাছের পাতা সহায়তা করে।

মেন্দা : এই গাছটি বাংলাদেশের অঞ্চলভেদে চাপাইত্তা, কারজুকি, রতন, খারাজুরা নামেও পরিচিতি রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এখনো পেটের সমস্যা, রক্ত-আমাশা হলে এই পাতা বেটে পানিতে মিশিয়ে দুইবেলা খাওয়ানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে মেন্দা পাতা। এই গাছের বাকল ও পাতা উভয়ই ব্যবহার করা হয়।

অর্জুন : এই গাছের মূল, ছাল, কাণ্ড, পাতা, ফল ও ফুল ঔষধি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। হৃদরোগ, বুকে ব্যথার জন্য অর্জুনের ছাল গুঁড়ো করে খেতে পারেন। মচকে গেলে বা হাড়ে চিড় ধরলে রসুনের সঙ্গে মিশিয়ে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

ভাট ফুল বা বনজুই: কৃমি নিরাময় এবং ডায়রিয়া সারাতে কাজ করে এই পাতা। কাচা হলুদের সঙ্গে এই পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। যাদের চর্ম রোগ রয়েছে, তারা এই ফুলের রস মালিশ করলে উপকার পাবেন।

তুলসী : তুলসীর পাতা নানা ওষুধি গুণসম্পন্ন। সর্দিজনিত রোগে এই গাছটির পাতা খাওয়া হয়। অনেকে চায়ের সঙ্গে ভিজিয়েও এই পাতা খান। কারও কারও মতে, তুলসী পাতা ভেজে ঘি দিয়ে নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

থানকুনি : বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি ঔষধি গাছ থানকুনি পাতা। যেকোনো পেটের ওষুধের জন্য থানকুনি পাতা কার্যকরী। এটা পাতা বেটে রস বা ভর্তা করে খাওয়া হয়। এই পাতা হজà¦