আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ ও ভুটানের বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি, হর্টিকালচার এবং মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মুহা. আবদুল হামিদ।
বুধবার (২৪ মার্চ) ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বিরাজ করছে।
তিনি বলেন, দুই দেশ বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি, হর্টিকালচার এবং মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভুটান বাংলাদেশের বিশ্বস্থ বন্ধু। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। সময়ের পরিক্রমায় এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।
করোনা মহামারির মধ্যে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি মুহা. আবদুল হামিদ। তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভুটানে এক হাজার প্রদ্বীপ প্রজ্জ্বলন ও স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করার জন্য ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে বাংলাদেশের সাথে ভুটানের বাণিজ্য বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বলেন, ভুটান বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বিশেষ করে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে ভুটানের স্মারক ডাকটিকেট রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের হাতে তুলে দেন লোটে শেরিং।
-এএ