শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আলোচনায় বসবে না তেহরান, ইরানের বার্তা দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী শোনো হে নবীন! তোমাকেই বলছি ... প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় দ্বিতীয় মুফতি তাকী উসমানী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক, সংসদে বিল পাস এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশের পথে ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফি-গ্রহণ বন্ধের তাগাদা ট্রাম্পের ‘কওমিতে একাধিক কিতাব দরসভুক্ত করা ছাড়া সিরাতের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়’ হরমুজ প্রণালি হয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা নির্ধারণ করল ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ঝুঁকির মুখে যুদ্ধবিরতি, বিশ্বের দৃষ্টি এখন ইসলামাবাদে

ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় ইসরায়েলের লড শহরের বাসিন্দারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নানা কারণে হামাসের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইসরায়েলকে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হলো— এ আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ নিন্দা ইসরায়েল কুড়িয়েছে, তা বলার বাইরে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও বর্বর ইহুদি রাষ্ট্রটির কুকীর্তি প্রচার হয়েছে ফলাও করে। সবচেয়ে বড় আঘাত হয়ে এসেছে দেশটির অভ্যন্তরে আরবদের সঙ্গে ইসরায়েলিদের সংঘর্ষের বিষয়টি। লড শহরের সংঘাত ইসরায়েলিদের মধ্যে ‘গৃহযুদ্ধের’ ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

জেরুসালেমে ফিলিস্তিনি কিছু পরিবারকে তাদের আবাস থেকে জোর করে উচ্ছেদ ও আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের সৈন্যদের হামলা থেকে এবার সংঘাতের সূচনা হয়। একই সময়ে ইসরাইলের লড শহরেও দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা। দ্রুতই তা রূপ নেয় সংঘাতে।

এরপর মূলত সেখানে বসবাসরত ইহুদিরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

মে মাসের এ সংঘাতকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে এবং ভয়াবহ হিসেবে দেখছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে লডেও ইহুদি এবং ফিলিস্তিনিরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় ইসরায়েলের বাসিন্দা এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং গাড়িতে পাথর ছুড়ে মারা হলে নিহত হন এক ইহুদি, যা গৃহযুদ্ধের ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল ইহুদিদের মধ্যে।
বিবিসিকে লড শহরের দুই বাসিন্দা আরব-ইসরায়েলি মাহা এবং ইসরায়েলি ইহুদি তালি নিজেদের শঙ্কার কথা জানান। উভয়েই তিন সন্তানের জননী।

ব্রিটেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমটির কাছে মাহা ও তালি তুলে ধরেন ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার কথা।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১০ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত ১১ দিনের সংঘাতে ২৫০-এর বেশি ফিলিস্তিনি এবং ১২ জনের মতো ইহুদি নিহত হন। পরে মিসরের মধ্যস্থতায় ২১ মে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিন্তু এ যুদ্ধ আরব এবং ইসরাইলিদের মধ্যে যে সংঘাতের শুরু করে দিয়ে গেল তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছেই।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ