নুরুদ্দীন তাসলিম।।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম যখন 'অজানা' একটি ভাইরাস সংক্রমণের খবর প্রকাশিত হয়, তখন মানুষ ঘুণাক্ষরেও চিন্তা করতে পারেনি যে সেই ভাইরাসটি পরের ৬ মাসে পুরো পৃথিবীকে ওলট পালট করে দেবে।
শুরুর দিকে যখন ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার খবর প্রকাশিত হওয়া শুরু করে তখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশের কর্তৃপক্ষই সংক্রমণটিকে ততটা আমলে নেয়নি।
কিন্তু পরবর্তীতে যখন লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা দুটোই বাড়তে থাকে, তখন পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি দেশ বিভিন্ন রকম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে থাকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।
এরই ধারাবাহিকতায় করোনার প্রতিষেধক হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।অ্যাস্ট্রাজেনেকার, সিনোফার্ম, ফাইজার-বায়োএনটেক মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৯ জন মানুষ করোনা (কোভিড-১৯) টিকার আওতায় এসেছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে।
এর মধ্যে গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২২ হাজার ২১৭ জন করোনাভাইরাসের টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের মধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী।
করোনার টিকা গ্রহণ বিষয়ে কি ভাবছেন মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অথবা এ বিষয়ে কতটা সচেতন তারা? এ বিষয়ে জানতে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে কথা বলা হয় বেশ কয়েকজন মাদরাসা শিক্ষার্থীর সাথে। তাদের একজন মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জুবায়ের । তিনি প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘টিকা নেব না এক সময় এমনটাই ভাবতাম; কিন্তু আস্তে আস্তে পরিস্থিতি এমন হচ্ছে যে ভ্যাকসিন না নিলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়তোবা আটকে থাকতে পারে। যেমন দেশের বাইরে পড়াশোনা অথবা ট্যুরে যেতে চাইলে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে কি-না এ বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হবে। অনেকটা এনআইডি কার্ডের মতই অনিবার্য হয়ে পড়বে ভ্যাকসিন গ্রহণ করার ইস্যুটি। তাই ভ্যাকসিন গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন এই শিক্ষার্থী।
আরো পড়ুন: মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য ভ্যাকসিন: কী ভাবছেন তরুণ আলেমরা
ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ? ভ্যাকসিনে ক্ষতিকারণ কিছু নà§