সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দেওয়া হবে ৮০ লাখ টিকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় আগামীকাল মঙ্গলবার একদিনে ৮০ লাখ মানুষকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনটি স্মরণীয় রাখতে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টা থেকে বিশেষ টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। যারা গ্রামে থাকে, দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বয়স্ক তারা এই কার্যক্রমে টিকা নিতে পারবে। যারা নিবন্ধন করে এসএমএস পাননি, তারা এই কার্যক্রমে অগ্রাধিকার পাবেন। এই কার্যক্রমে শুধু প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হবে। কার্যক্রমে অধিকাংশ টিকা দেওয়া হবে সিনোফার্মের।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ কোটি ডোজ টিকা হাতে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি ডোজ। হাতে রয়েছে দেড় কোটি ডোজ টিকা। গর্ভবতী নারী ও দুগ্ধ দানকারী মায়েরা এই কার্যক্রমে টিকা পাবেন না। ইউনিয়ন, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় ৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। টিকা নিবন্ধন কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে এলে টিকা নেওয়া যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, টিকা পেতে যে কেন্দ্রে নিবন্ধন করেছেন, সে কেন্দ্রেই টিকা নিতে হবে। ২৮ সেপ্টেম্বরের আগেই টিকার জন্য মোবাইলে এসএমএস চলে যাবে। এর আগে গণটিকায় ৪৫ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছিল, এবার আরও বড় পরিসরে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, প্রথমদিকে নিবন্ধন একবারে অনেক হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে আমাদের একটি জট তৈরি হয়েছিল। কোনো কোনোদিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের নিবন্ধন হয়েছিল। এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা আছে, এখন আর জট থাকবে না।

মন্ত্রী বলেন, দেশে টিকা উৎপাদনের বিষয়টি চলমান আছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ফার্মা এ নিয়ে চীনের সঙ্গে কাজ করছে। আমি যতটুকু জানি, তাদের কাজকর্ম চলমান। তারা যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আশা করি তারা সেভাবেই বাস্তবায়ন করবে। আমাদের টিকার কোনো ঘাটতি হবে না। ডিসেম্বরের মধ্যে নিজেদের কেনা এবং কোভ্যাক্স সহায়তা মিলে ২৪ কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে। এর মধ্যে চীন থেকে সাত কোটি ডোজ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা কেনার চুক্তি হয়েছে। এছাড়া কোভ্যাক্সের আওতায় আরও ৬ কোটি