[জামিয়া দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র ‘ماہنامہ البلاغ মাহনামা আল-বালাগ’ এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিশ্বনন্দিত আলেম, স্কলার আল্লামা তাকি উসমানির আত্মজীবনী আওয়ার ইসলামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
এ বিষয়ে আল্লামা তাকি উসমানি আনুষ্ঠানকিভাবে আওয়ার ইসলামকে ভাষান্তর করে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি জামিয়া দারুল উলুম করাচির তাখাসসুস ফিল ইফতার শিক্ষার্থী, আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের শুভাকাঙ্ক্ষি উমর ফারুক ইবরাহীমীর মাধ্যমে আল্লামা তাকি উসমানি ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মজীবনী ‘ইয়াদে’ অনুবাদের অনুমতি চাওয়া হলে তারা খুশি মনে রাজি হন এবং আওয়ার ইসলামকে ধন্যবাদ জানান বাংলাভাষায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য।
আল্লামা তাকি উসমানির নতুন ধারাবাহিক আত্মজীবনী یادیں ইয়াদেঁ মাহনামা আল-বালাগে সফর ১৪৩৯ হিজরি, নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি মাস থেকে। আওয়ার ইসলামে লেখাটি প্রতি রোববার ও বুধবার প্রকাশ হবে ইনশাল্লাহ। আজ ছাপা হলো ৪৩ তম কিস্তি। অনুবাদ করেছেন মুহাম্মদ উমর ফারুক ইবরাহীমী।]
পূর্ব প্রকাশের পর: ১৩৭১ হিজরির রমযানুল মুবারকে মুহতারাম ভাইজান হযরত মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ রফি উসমানি ছাহেব (মাদ্দাযিল্লুহ) হিফয শেষ করার পর ১৩৭১ হিজরি মোতাবেক জুন, ১৯৫২ ইংরেজি সনে মসজিদে বাবুল ইসলামে হযরত আব্বাজানের প্রতিষ্ঠিত দারুল ইফতায় তিনি তারাবিহ পড়িয়েছেন। এই ঈদের পরই দারুল উলূম প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
দারুল উলূম করাচিকে আল্লাহ তাআলা একটি বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেছেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর গোটা সিন্ধ প্রদেশে এটিই প্রথম উল্লেখযোগ্য দ্বীনি মাদরাসা। বরং পুরো পাকিস্তানেই তখন হাতেগোনা কয়েকটি মাদরাসা ছিলো। সেজন্য সকল প্রথিতযশা আলেম যারা এদেশের দ্বীনি রাহনুমা ছিলেন তাঁদের খেদমতের সূচনা সেখান থেকেই হয়েছে।
যেমন হযরত মাওলানা মুফতি ওলি হাসান সাহেব রহ. (যাকে উলামায়ে কেরাম হযরত আব্বাজান রহ. এবং হযরত মাওলানা মুফতি মাহমূদ হাসান সাহেব রহ. এর পর "মুফতিয়ে আযম পাকিস্তান" পদে ভূষিত করেছেন।) কোন দ্বীনি প্রতিষ্ঠা না থাকার ফলে তিনি সেসময় ব্র্যাঞ্চ রোডস্থ একটি মাধ্যমিক স্কুলে (মেট্টোপুলিশ স্কুল) দ্বীনিয়াতের উস্তায (ধর্মশিক্ষক) ছিলেন।
তিনি দেওবন্দে হযরত মাওলানা নূর আহমাদ সাহেবের (দারুল উলূম করাচির প্রথম নাযিম) সহপাঠী ছিলেন। হযরত à