শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মস্কো সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৯০ দেশের মানুষ ব্যবহার করছে মুসলিমদের তৈরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আলফাফা এনসিপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিতেও যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদি দুর্গাপূজায় দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ক্ষমা চাইলেন হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নয়, সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে: আমিরে মজলিস পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে: জমিয়ত ‘মুসলিম হওয়ার কারণে মানুষকে হেয় করা হচ্ছে, এতে আমি ক্লান্ত’ ‘সাজেকে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি’ ম্যানহাটনে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের দোয়া মাহফিল ও জুমাপূর্ব বক্তব্য নতুন প্রজন্মের ঈমান রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে: মাওলানা আরশাদ মাদানি

নিউ ইয়র্কে ফের জরুরি অবস্থা জারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে উদ্বেগের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ফের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।

নিউ ইয়র্ক গভর্নরের আদেশে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়ার ফলে আগামী ৩ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টকে নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল বলেন, এখনও করোনার উদ্বেগজনক ধরন ওমিক্রন নিউ ইয়র্কে শনাক্ত হয়নি। তবে স্বাস্থ্য বিভাগকে হাসপাতালের জরুরি প্রয়োজন নয়—এমন এবং কম জরুরি কাজগুলো সীমিত করতে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো সরবরাহ করার বিষয়ও থাকছে এতে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত নতুন ধরনকে প্রাথমিকভাবে ওমিক্রন বি.১.১.৫২৯ নামে ডাকা হচ্ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ধরনটিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

শুক্রবার ডব্লিউএইচও দক্ষিণ আফ্রিকা ও বসতোয়ানায় শনাক্ত হওয়া করোনা ভাইরাসের এই নতুন ধরন নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকে। বৈঠকে নতুন ধরনের নামকরণ করা হয়।

ডব্লিউএইচও এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বি.১.১.৫২৯ ধরনকে উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যায়িত করছে। এটার নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ওমিক্রন। প্রাথমিকভাবে হাতে আসা তথ্য বলছে, এই ধরনটির মাধ্যমে করোনার সংক্রমণ নতুন করে বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে।

নতুন শনাক্ত হওয়া ধরনটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ধরনটির সংক্রমণের ক্ষমতা এবং শারীরিক জটিলতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন এনেছে কি না, তা এ সময়ের মধ্যে খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি করোনার প্রচলিত চিকিৎসা ও টিকার ওপর কোনো প্রভাব আসবে কি না, তাও জানার চেষ্টা করা হবে।

এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, বসতোয়ানা, ইসরায়েল ও হংকংয়ে করোনার নতুন ধরনটির সন্ধান মিলেছে।

-এএ