সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি

জীবন ঘনিষ্ঠ গল্পগ্রন্থ ‘তোমার ঐ আঁচলখানি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আশরাফ বিন মুঈন।।

মালিবাগ মাদ্রাসায় দু'বছর সাহিত্য মজলিস পরিচালনার দায়িত্ব ছিল আমার কাঁধে। গুটিকয়েক ছাত্রের লেখা মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়তাম। এদের আগ্রহও ছিল বেশ। মাঝে মাঝে লেখা দেখতাম। সম্ভাবনাময়ী কিছু ছাত্র ছিল। আমি তরবিয়ত দিতাম বেশী। আমার চেয়েও যাদের সাহিত্যে ভালো দখল ছিল তারাই বেশীরভাগ কাঁটাছেড়া করত।

‘মনজুর সা’দ’ নামে এক ভাই খুব ভালো লেখত, এবং নিয়মিত লেখত। অমায়িক, স্বাপ্নিক, কোমল হৃদয়ের মানুষ। সব্যসাচী, শব্দশ্রমিক মনে হত তাকে। আমি তার কয়েকটা লেখা দেখেছিলাম। কোন লৌকিকতা ছাড়াই আমি স্বপ্ন দেখি; তার হাত ধরে অদূর ভবিষ্যতে কওমী অঙ্গন সাহিত্যের নতুন দিগন্তের সাথে পরিচয় হবে ইনশা আল্লাহ!

•
বই। তোমার ঐ আঁচলখানি। মনজুর সা'দ এর । আমার গবেষণার বিষয় ভিন্ন। যেহেতু সে গল্পকার। গল্প খুব শখের জিনিস থাকলেও পড়া হয় কম। যাইহোক প্রচ্ছদ দেখেই বইটার প্রতি আগ্রহ জন্মাল। ভাবলাম দেখি ছোকরাটার লেখায় কেমন আকর্ষণ! সাথে সাথে অর্ডার দিয়ে দিলাম। বইটা হাতে নিয়েই মন শান্তি। প্রচ্ছদ যে মানুষকে আকর্ষণ করে সেটা পূর্ণরুপে অনুভব করলাম। অনেক ব্যস্ততা থাকা সত্বেও তৎক্ষনাৎ বইটি নিয়ে বসে গেলাম। একটানা পড়ে শেষ করলাম। বইয়ের কলেবর বেশি বড় না। আর লেখাটা চুম্বকের মত ধরে রাখল। তার প্রতি ভালোবাসা আছে শুধু সেজন্যই না, তার লেখার প্রতিও আমার দুর্বলতা আছে। এই বইয়ে সবমিলিয়ে মোট সতেরোটা গল্প, অনুগল্প লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

পাঠক!
আপনাকে কোন গল্প হাসাবে, কোনটা কাঁদাবে, কোনটা ভাবাবে, কোন গল্প আপনাকে নিয়ে যাবে ভাবনার অনীল সমুদ্রে। একনিবিঢ়ে আপনাকে ধরে রাখবে ম্যাগনেটের মত। এ যেন কোন বই নয় গল্পের শহর। যে শহরের আকাশে কখনো বৃষ্টি নামে কখনো রোদ হাসে, কখনো বিষাদের নীলছায়ায় ঢেকে যায় নগরী।

শিরোনামগুলোর ডিজাইন তেমন সুন্দর হয়নি। অস্পষ্ট, ঝাপসা লাগে। বিরামচিহ্নগুলো যত্রতত্র ব্যবহার হয়েছে। সেগুলোর দিকে আরো যত্নবান হতে হবে। দুয়েকটা গল্পের আবেদন ধরে রাখতে আরো বড় এবং সময় দেয়ার প্রয়োজন ছিল। অভার অল একজন নবীন লেখক হিসেবে মাশাল্লাহ খুউব ভালো লিখেছে সে। বাংলা বানানরীতির প্রতি যথেষ্ট কসরত করা হয়েছে। আমি সমালোচনা দৃষ্টিতে এবং খুউব মনোযোগ দিয়ে পড়েছি তেমন বানান ভুল পাই নি। এদিক দিয়ে এবং যত্রতত্র আউল ফাউল উপমার ক্ষেত্রে বামপাড়ার সেরা লেখকদের লেখা পড়েই বিরক্তি চলে আসত সেই জায়গা থেকে লেখক নিজের মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। উপমা এবং শব্দের গাঁথুনি মন ছুঁয়ে গেল। আল্লাহ তার কলমে ও কলবে নূর