বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

বাঁধের কাজে দুর্নীতি-গাফলতি আছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে দুর্নীতি আছে, গাফলতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, হাওর-আগাম বন্যা-বাঁধ এই তিনটি বিষয়ে তার সরাসরি অভিজ্ঞতা রয়েছে। কারণ, তিনি হাওর এলাকার সন্তান, সেখানেই বড় হয়েছেন। বন্যা কোনো বছর আসে; কোনো বছর আসে না, এটা প্রাকৃতিক ব্যাপার। মানুষের নিয়ন্ত্রণে নয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের কথা মনে আছে তিন দিনের মধ্যে সারা সুনামগঞ্জে হাওরগুলোর ধান ডুবে মালদ্বীপ হয়ে গিয়েছিল। এই বছর পানি এসেছিল কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে পানি কমতে শুরু করেছে। তবে, এই পানি দিরাই-ধর্মপাশা-তাহিরপুর উপজেলায় ধানের কিছু ক্ষতি করছে। এক সপ্তাহ যদি প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না আসে তাহলে সুনামগঞ্জের মানুষ পুরোদমে ধান কাটতে পারবে।

তিনি বলেন, হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে দুর্নীতি আছে, গাফলতি আছে, অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। শুধু তাই নয় যদি বন্যা চলে আসে, পৃথিবীর কোনো শক্তিই আটকাতে পারবে না। এমনকি সৌদি আরব-আমেরিকা একখানে হয়েও বাংলাদেশে বাঁধ দিয়ে এই বন্যা আটকাতে পারবে না।

হাওর এলাকায় বোরো ধান ঝুঁকির মধ্য দিয়ে করতে হবে। একটা উপায় বৈজ্ঞানিকভাবে আছে যদি ফসলের সময়সীমাটা কমানো যায় এবং আরো ৮ দিন আগে ধানটা পাকানোর জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে কিছু বের করা যায় তাহলে হাওর অঞ্চলের জন্য কিছুটা ফায়দা হবে, বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাঁধের কাজে প্রশাসনিকভাবে, প্রকৌশলগত গাফলাতি এবং পিআইসিদের দুর্নীতি এটা খুব পরিচিত বিষয়। তবে প্রশাসনের লোকদের আরও কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। এখন দোষারোপ না করে সকলের উচিত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো।

তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃতঅর্থে জমির মালিক তাদেরকে পিআইসিতে বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তারা নিজেরা মাটি কাটবে তা নয়। তবে, তারা দরিদ্র মানুষকে কাজে লাগাতে পারেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ