সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

জ্ঞান-বিজ্ঞানে নারী সাহাবিদের অবদান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: সাইদ আনসারি রহ.
অনুবাদ: নোমান আব্দুল্লাহ

ইসলামি জ্ঞান তথা কেরাআত, তাফসির, ফিকহ, হাদিস এবং ফারায়েজে অসংখ্য নারী সাহাবি পাণ্ডিত্য রাখতেন। হজরত আয়েশা রা., হজরত হাফসা রা., হজরত উম্মে সালামাহ ও হজরত উম্মে ওয়ারাকাহ পুরা কোরআন হিফজ করেছিলেন।

এমনিভাবে হজরত হিন্দ বিনতে উসাইদ, উম্মে হিশাম বিনতে হারিসাহ, রায়েতাহ বিনতে হায়্যান ও উম্মে সায়াদ বিনতে সায়াদ বিন রবি' রা. কোরআনের আংশিক হিফজ করছিলেন। উম্মে সায়াদ রা. কোরআন পাঠদানও করতেন।

তাফসির শাস্ত্রে অবদান: তাফসিরের ক্ষেত্রে হজরত আয়েশা রা. এর বিশেষ পাণ্ডিত্য ছিল। বিখ্যাত হাদিসগ্রন্থ সহিহ মুসলিম এর শেষভাগে তার তাফসিরের একটি অংশ উল্লেখ রয়েছে।

হাদিস শাস্ত্রে অবদান: হাদিস শাস্ত্রে অন্যান্য নারী সাহাবিদের তুলনায় উম্মাহাতুল মুমিনিনরা বিশেষ পাণ্ডিত্য রাখতেন। আর হজরত আয়েশা ও উম্মে সালামাহ রা. নারী সাহাবিদের মাঝে হাদিস শাস্ত্রে ছিলেন সবার সেরা। হজরত আয়েশার রা. বর্ণিত হাদিস সংখ্যা ২২১০ টি এবং উম্মে সালামাহর রা. ৩৭৮ টি। এছাড়াও উম্মে আতিয়্যাহ, আসমা বিনতে আবু বাকর, উম্মে হানি এবং ফাতেমা বিনতে কায়েস রা. ছিলেন অধিক সংখ্যক হাদিস বর্ণনাকারী।

ফিকহ শাস্ত্রে অবদান: হজরত আয়েশা রা. ফতোয়ার পরিমাণ এতো অধিক ছিলো যে, তা সঙ্কলন করলে বড় বড় কয়েক খণ্ডের কিতাব রচনা করা সম্ভব। হজরত উম্মে সালামাহ রা. এর ফতোয়ার সঙ্কলন দিয়ে একটি পুস্তিকা রচনা করা যাবে। এমনিভাবে হজরত সাফিয়্যাহ, হাফসা, উম্মে হাবিবাহ, জুয়াইরিয়া, মাইমুনা, ফাতেমা, উম্মে শারিক, উম্মে আতিয়্যাহ, আসমা বিনতে আবি বকর, লাইলা বিনতে কায়েফ, উম্মে দারদা, খাওলা বিনতে তুওয়াইত, আতিকা বিনতে জায়েদ, সাহলাহ বিনতে সুহাইল, ফাতেমা বিনতে কায়েস, উম্মে সালামাহ, জয়নব বিনতে আবু সালামাহ, উম্মুল ইয়ামান এবং উম্মে ইউসুফের ফতোয়া সমূহকে একটি সংক্ষিপ্ত বইয়ে সঙ্কলন করা সম্ভব।

ইসলামি উত্তরাধিকার আইন শাস্ত্রে অবদান: হজরত আয়েশা রা. এর ফারায়েজ তথা ইসলামি উত্তরাধিকার আইন শাস্ত্রে এতো বেশি পাণ্ডিত্য ছিল যে বড় বড় সাহাবিরাও এ সংক্রান্ত মাসয়ালা তার কাছে জিজ্ঞাসা করতেন।

ইসলামি জ্ঞানের পাশাপাশি জ্ঞানের অন্যান্য শাখাতেও তাদের পারদর্শিতা ছিলো। যেমন : উম্মে সালামাহ রা. রুকইয়াহ করতে পারতেন। বক্তৃতায় ফাতেমাহ বিনতে সাকান রা. এর বিশেষ প্রসিদ্ধি ছিলো। স্বপ্নের তাবিরের ক্ষেত্রে আসমা বিনতে উমাইস প্রসিদ্ধ ছিলেন।
চিকিৎসাবিদ্যায় রুফাইদা আসলামিয়াহ, উম্মে মাতা', হামনাহ বিনিতে জাহাশ, উম্মে কাবশা, মুয়াজà¦