সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

ফুসফুস ভালো রাখতে যেসব ফল খাবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বর্তমানে ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই ফুসফুসের মাধ্যমে আমাদের রক্তে মেশে অক্সিজেন। এরপর সেই অক্সিজেন পৌঁছে যায় পুরো শরীরে। অন্যদিকে এই অঙ্গের মাধ্যমেই পুরো শরীর থেকে বের হয়ে যায় কার্বন ডাই অক্সাইড। ঠিকভাবে ফুসফুসের যত্ন না নিলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে। দেখা দিতে পারে আরও অনেক সমস্যা। তাই নিতে হবে বাড়তি যত্ন। তবে কিছু ফল রয়েছে যেগুলো ফুসফুসের জন্য উপকারী।

আপেল খাবেন যে কারণে: সবচেয়ে উপকারী ফলের তালিকায় রয়েছে আপেলের নাম। এই ফলে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন, খনিজ, ফ্ল্যাভানয়েডস থেকে শুরু করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও। তাই নিয়মিত আপেল খেলে ফুসফুস ভালো থাকে।

কলা খেলে ভালো থাকবে ফুসফুস: ফুসফুসের জন্য উপকারী একটি উপাদান হলো পটাশিয়াম। পটাশিয়াম যদি নিয়মিত শরীরে পৌঁছায় তবে গুরুতর ফুসফুসের সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়। এদিকে উপকারী ফল কলায় আছে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম। এতে ফুসফুস ভালো রাখা সহজ হবে।

বেরি জাতীয় ফল: বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শরীরের অনেক সমস্যা দূরে থাকে। বেরি জাতীয় ফলে আছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফুসফুস থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফুসফুস সুস্থ রাখার জন্য তাই বেরি জাতীয় ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

পেয়ারা কেন খাবেন: উপকারী ও সুস্বাদু ফল পেয়ারায় আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি। সেইসঙ্গে রয়েছে ফ্ল্যাভানয়েড। নিয়মিত পেয়ারা খেলে ভালো থাকে ফুসফুস। পেয়ারা খেলে ফুসফুসের সমস্যা ছাড়াও আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

-এসআর