এনায়েত কবীর ।। পাপ মুক্ত নির্মল জীবন গঠনের উজ্জ্বল প্রাঙ্গন। লাখো মানুষের নৈতিক ও মানবিক প্রেরনার উৎস। ধৈর্য, পরোপকার ও শৃঙ্খলার এক উজ্জ্বল নমুনা।
এখানে এসে অগনিত মানুষ গ্রহণ করে জীবন বদলের অঙ্গীকার। মানুষের চিন্তা চেতনা ও আদর্শের আঙ্গিনায় রোপন হয় নৈতিকতার বিজ। অগণিত মানুষ পায় আলোর দিশা। পথহারা বনি আদম গ্রহণ করে নবী ও সাহাবীদের আদর্শে জীবন রাঙ্গানোর দৃঢ় শপথ। ধনী দরিদ্র সাদা কালোর বৈষম্যের দেয়ালকে দূর করে সবাই শামিল হয় এক কাতারে।
প্রিয় নবীজি জীবনের পড়ন্ত বেলায় উম্মতকে দায়িত্ব দিয়ে বলেছিলেন, আমার একটি বাণীও যদি তোমার কাছে থাকে তা অন্যের কাছে তাবলীগ কর অর্থাৎ পৌঁছে দাও। মূলত এই চেতনার উত্তরাধিকার বহন করেই বছর বছর ধরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাবলীগের এই বিশ্ব ইজতেমা।
কুরআন সুন্নাহর উপর চলার জন্য এই ইজতিমায় ছয়টি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেয়া হয়।
১ নাম্বার হলো ঈমান। কেননা একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দামি জিনিস হচ্ছে ঈমান। শত প্রতিকূলতা ও বাঁধার মুখেও একজন মানুষ ঈমানের প্রশ্নে আপোস করতে পারে না। প্রয়োজনে নিজের প্রিয় জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে। সাহাবায়ে কেরামের জীবনীতে এর ভুরি ভুরি নজির রয়েছে।
ঈমানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয় কেন? কারণ ঈমানহীন মানুষ উভয় জগতেই কষ্ট ও সংকীর্ণতার যন্ত্রণায় দগ্ধ হয়। কোরআনে কারীমে আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে ব্যক্তি আমার হেদায়েত থেকে বিমুখতা প্রদর্শন করে অবশ্যই তার জীবন যাপন হবে সংকুচিত এবং কেয়ামতের দিন তাকে অন্ধ করে উপস্থিত করবো। সূরা তহা: ১২৪
কোরআনে কারীমের অন্যত্র এসেছে, ঈমানহীন ব্যক্তির নাজাতের জন্য দুনিয়াতে যা কিছু আছে তা এবং এর সমপরিমাণ জিনিস বদলা দিলেও তা গৃহীত হবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। সূরা মায়েদা: ৩৬
আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, আর যারা ঈমানহীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে তাদের জন্য পৃথিবী সমান স্বর্ণ দিয়েও দিলেও তা কবুল করা হবে না বরং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। সূরা আল ইমরান,আয়াত : ৯১
২য় যে বিষয়টির গুরুত্ব দেয়া হয় তা হলো নামাজ। কারণ কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব হবে। কয় ওয়াক্ত নামাজ বাদ গেল, কয় ওয়াক্তের কাজা পড়া হলো, কয় ওয়াক্ত একেবারেই পড়া হয়নি এর পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব হবে। তাছাড়া একজন ঈমানদার ও বেইমানের মাঝে পার্থক্য সৃষ্টিকারী অন্যতম বিষয় হল নà¦