আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে চলতি বছরের তৃতীয় মাস মার্চের প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার বা ৭৩৩ কোটি টাকার (প্রতি এক ডলার সমান ১০৭ টাকা ধরে) প্রবাসী আয় আসছে। প্রবাসী আয়ের এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেকর্ড ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২২ হাজার ৭১৪ কোটি টাকার প্রবাসী আয় আসবে দেশে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ চিত্র উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১১৬ কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার বা ১২ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৯১ লাখ ডলার বা ১৫৯৫ কোটি টাকার বেশি। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৫২ লাখ ডলার বা ২৭০ কোটি টাকার প্রবাসী আয় এসেছে। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৮ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ১০ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩.৭৪ মিলিয়ন ডলারের প্রবাসী।
তবে আলোচিত সময়ে ৮ ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো প্রবাসী আয় দেশে আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বেঙ্গল কমার্সিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা উদ্যোগ কাজে আসছে। হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স না পাঠানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে। এটা এখন কাজে আসছে, রেমিট্যান্স বাড়ছে। চলতি মাসের শুরু থেকেই ভালো অবস্থানে রয়েছে প্রবাসী আয়। সামনে দুটি বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা আছে, এ কারণে আগামীতে রেমিট্যান্স আরও বাড়বে।
চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) টানা দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। কিন্তু সেপ্টেম্বর থেকে টানা পাঁচ মাস দেড় বিলিয়ন ডলারের ঘরেই থেমে যায়। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে (জুলাই) এসেছে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, আগস্টে এসেছে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার, অক্টোবরে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার বা ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার, জানুয়ারি মাসে এসেছে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। আর সদ্য বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে আসে ১৫৬ কোটি ১২ লাখ ডলারের রেমিà