১৩ তম তারাবির নামাজে তিলাওয়াতের সারমর্ম
প্রকাশ:
১৩ মার্চ, ২০২৫, ০৪:৪৫ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
![]()
|| তাওহীদ আদনান ইয়াকুব || (সূরা কাহফ ৭৫-১১০ , সূরা মারইয়াম ১-৯৮ এবং সূরা ত্ব-হা ১-১৩৫) পবিত্র কুরআন শুধু ধর্মীয় গ্রন্থই নয়, বরং এটি মানবজাতির জন্য এক পরিপূর্ণ জীবনবিধান। এতে রয়েছে নবীদের সংগ্রাম, সত্য-মিথ্যার চিরন্তন দ্বন্দ্ব, এবং আখিরাতের প্রতিশ্রুতি ও সতর্কবার্তা। ১৩তম তারাবির নামাজে যে অংশ তেলাওয়াত করা হবে তাতে আল্লাহ তায়ালা আমাদের সামনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ঘটনা তুলে ধরেছেন। এখানে হযরত মূসা আ. ও হযরত খিজর আ.-এর রহস্যময় ভ্রমণ, যুলকারনাইনের শক্তি ও বিচক্ষণতা, এবং নবী ঈসা আ. -এর অলৌকিক জন্মের কাহিনি স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি, হযরত ইব্রাহীম আ.-এর ঈমানের পরীক্ষা ও ফেরাউনের অবাধ্যতার কুফলও আলোচনা করা হয়েছে। ১. সূরা কাহফ (৭৫-১১০) – জ্ঞান, পরীক্ষা ও আল্লাহর কুদরত হযরত মূসা আ. ও হযরত খিজর আ.-এর ঘটনা (৭৫-৮২)
যুলকারনাইন ও গগনচুম্বী দেয়াল (৮৩-৯৮)
হাশরের ময়দানে মানুষের পরিণতি (৯৯-১১০)
২. সূরা মারইয়াম (১-৯৮) – নবীদের সংগ্রাম ও আল্লাহর রহমত হযরত মারইয়াম আ. -এর অলৌকিক গর্ভধারণ (১-৩৬)
হযরত ইব্রাহীম আ.-এর জাতির সাথে বিতর্ক (৪১-৫০)
বিভিন্ন নবীর পরিচয় ও দায়িত্ব (৫১-৭৫)
আখিরাতের দৃশ্য (৭৬-৯৮)
৩. সূরা ত্ব-হা (১-১৩৫) – কুরআনের শিক্ষা ও হযরত মূসা আ. -এর ঘটনা কুরআন দুশ্চিন্তা দূর করে (১-৮)
নবী মূসা (আ.)-এর জীবনী (৯-৯৮)
আখিরাতের শিক্ষা ও রাসুল ﷺ-এর দাওয়াত (৯৯-১৩৫)
মূল শিক্ষা ও বার্তা:
উপসংহার: এই পারার আয়াতগুলো আমাদের শিক্ষা দেয় যে, যারা সত্যের পথে থাকবে, তারা সফল হবে, আর যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করবে, তারা ধ্বংস হবে। এই সব ঘটনা আমাদের জীবনে ধৈর্য, বিশ্বাস ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, সত্যের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয় এবং কিয়ামতের দিনের ভয়াবহতা স্মরণ করিয়ে দেয়। আল্লাহ যেন আমাদের কুরআনের শিক্ষা অনুযায়ী জীবন গঠনের তাওফিক দান করেন—আমিন! লেখক : ফাযেলে দারুল উলুম দেওবন্দ ও নদওয়াতুল উলামা লাখনৌ, হাআমা/
|