
|
ধর্মঘট স্থগিত, ফের সচল চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম
প্রকাশ:
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:২৯ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। আজ ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল থেকে আমদানি রফতানি পণ্য সামগ্রীর ওঠানামা খালাস, ডেলিভারি পরিবহন বিশেষ করে রমজানের খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য হ্যান্ডলিংসহ বন্দর কার্যক্রম পুরোদমে সচল হতে শুরু করেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ নেতারা বৈঠক শেষে ধর্মঘট স্থগিত করার কথা জানান। এর আগে, রোববার বিকালে রাজধানী ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আর দিন কয়েকের মেয়াদে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা চুক্তিতে দেওয়া হবে না মর্মে ঘোষণা দেন। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে আন্দোলনরত চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক কর্মচারীদের গ্রেফতার, মামলা, দুদকের মাধ্যমে তদন্ত, সাময়িক বরখাস্তসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকায় আন্দোলনকারী শ্রমিক কর্মচারী নেতারা বেঁকে বসেন এবং ধর্মঘট চলমান রাখার কথা জানান। এর ফলে বন্দরে সর্বাত্মক ধর্মঘটে আমদানি রফতানি পরিবহন অচল হয়ে পড়ে। রোববার রাতে এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকন বলেন, এনসিটি নিয়ে নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চট্টগ্রাম বন্দরের ৫ জন কর্মচারীকে গ্রেফতার ও হয়রানিমূলক মামলা প্রদান, বন্দরের ১৫ জন কর্মচারীকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলি, বন্দরের আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানাবিধ শাস্তি প্রদান, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বরাদ্দকৃত বাসা বাতিল, আন্দোলনরত ১৬ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ নানাবিধ শাস্তি প্রদান করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এসব বিষয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দের সাথে সন্তোষজনক আলোচনার প্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং রমজানের পণ্য রিলিজ করার স্বার্থে আমরা চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ধর্মঘটের কর্মসূচি ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করছি। তবে এই তারিখের মধ্যে উপরোক্ত ৫টি সমস্যার সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এমএম/ |