সংসদে পাঁচ সিটির উন্নয়নসহ ১০টি বিল পাস
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:৫৭ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস হয়েছে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে বিলগুলো পাস হয়।

উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর দফাওয়ারী কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় সংসদে এ নিয়ে কোনো দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

এই ১০ বিলের মধ্যে ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ এবং ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ রয়েছে। আর এগুলো উত্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। 

এছাড়া সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব করলে তা সংসদে গৃহীত হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং তা পাস হয়।

অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বিলগুলো হলো ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘এক্সাইজেস এন্ড সল্ট বিল, ২০২৬’ এবং ‘মূল‌্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’। অর্থমন্ত্রীর উত্থাপিত এই বিলগুলোও কোনো বিরোধিতা ছাড়াই সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এর আগে বিশেষ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, অবশিষ্ট ২০টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। আজকের ১০টি বিল পাসের মাধ্যমে অন্তর্র্বতীকালীন সময়ের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণের পথে সংসদ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

আইও/