কুষ্টিয়ার ঘটনার জন্য দায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা: ইসলামী আন্দোলন
প্রকাশ: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
নিউজ ডেস্ক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বলেছেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে যা ঘটেছে তা ধারাবাহিক ও দীর্ঘকালীন আইনের শাসন না থাকার একটি নগ্ন দৃষ্টান্ত। কথিত পীর বহু বছর ধরে ইসলাম বিকৃত করে মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে যাচ্ছিল। ধর্ম পালনে প্রত্যেকের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু কোনো ধর্মকে বিকৃত করা কারো অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে না। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাওয়ারও একটি নির্ধারিত তাল ও লয় আছে। কেউ ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে তা বিকৃত করতে পারে না। কথিত এই পীর দীর্ঘদিন যা করছিল তা ধর্মীয় স্বাধীনতা না বরং ধর্মবিকৃতি। প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে তাকে ঘিরে যে গণবিক্ষোভ দানা বাঁধছে তাও প্রশাসন যথাযথভাবে আমলে নেয় নাই। ফলশ্রুতিতে এমন একটা ঘটনা ঘটলো যা বাংলাদেশের সুনামহানীর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, আইন হাতে তুলে নেওয়াকে আমরা কোনোভাবেই সমর্থন করি না। ফলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের সাথে যা ঘটেছে তা সমর্থন করা যায় না। তবে এটাও সত্য যে, গতকাল কথিত পীর  শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের সাথে যা ঘটেছে তা পুরো ঘটনার আংশিক মাত্র। এই ঘটনার পেছনে দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষের বোধ-বিশ্বাসের প্রতি ধারাবাহিক অবমাননা ও ধর্ম বিকৃতির অপকর্ম জড়িত। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হলে সরকারকে ধর্ম বিকৃতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অনেক সময়েই ধর্ম বিকৃতিকে ধর্ম পালনের স্বাধীনতার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়।  এই বিষয়ে সতর্কতা জরুরি। একই সাথে আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনার বিরুদ্ধেও প্রশাসনের আইনানুগ পদক্ষেপ জরুরি।

আইও/