
|
ভারতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান
প্রকাশ:
১০ মে, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
ভারতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, সংখ্যালঘু মুসলিম নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি বন্ধে বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা। শনিবার (১০ মে) রাজধানীর কোতোয়ালির একটি মিলনায়তনে আয়োজিত থানা তৃণমূল দায়িত্বশীলদের মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান সংগঠনের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় মুসলিম জনগোষ্ঠী হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তিনি বলেন, ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হলেও বাস্তবে সেখানে সংখ্যালঘুদের সমান অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে না। তিনি আরও দাবি করেন, ভোট নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য লজ্জাজনক। এ সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন ভারতে মুসলিম নির্যাতনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। সভায় নির্বাচন-পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাওয়াতি কাজ এবং জনশক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, সংগঠনের অগ্রগতির জন্য নিয়মিত দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পূর্ববর্তী কাজের ঘাটতি চিহ্নিত করে তা সমাধানের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের আরও সুসংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম। তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য নয়, বরং এটি একটি ইবাদত। তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ তুলনামূলকভাবে ভালো থাকলেও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান থেকে কোনো ধরনের আপস না করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সভাটি সঞ্চালনা করেন কোতোয়ালি থানা শাখার সেক্রেটারি মাহমুদুল হাসান সোহাগ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ শাকিব আহমেদ, আলহাজ্ব শামসুল হক, আলহাজ্ব আমিরুল ইসলাম সরকার, জাকির হোসেন সিকদার, আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, মাওলানা রুহুল আমিন, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও মুহাম্মদ আসিফুজ্জামান নিরবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আইও/ |