
|
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত
প্রকাশ:
১৩ জুলাই, ২০২৬, ০৬:০২ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বসতঘর মেরামত, কৃষিজমি, মাছের ঘের ও গবাদিপশুর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। যাদের ফসলের জমি, মাছের ঘের কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান। এদিন ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আইও/ |