
|
দেশবাসীকে হেফাজতের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা, শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান
প্রকাশ:
২৬ মে, ২০২৬, ০৫:১৪ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান। মঙ্গলবার (২৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, ঈদুল আজহা শুধু পশু কুরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি আত্মত্যাগ, তাকওয়া এবং মহান আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের এক মহান শিক্ষা। বাহ্যিক কুরবানির পাশাপাশি মানুষের অন্তরের পশুত্ব, হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ ও অহংকারকেও কুরবানি দিতে হবে। হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাঈল (আ.)-এর ত্যাগের আদর্শ ধারণ করে ব্যক্তি ও সমাজজীবনকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা। নেতৃদ্বয় বলেন, ঈদুল আজহা সমাজে সাম্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা ও দানশীলতার শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের নিপীড়ন-নির্যাতনের পর দেশের মানুষ এবার দ্বিতীয়বারের মতো মুক্ত ও নির্ভীক পরিবেশে ঈদের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছে, যা জাতির জন্য স্বস্তির বিষয়। বার্তায় তারা শাপলা চত্বরে শাহাদাতবরণকারী নবীপ্রেমিকসহ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের ঘরেও ঈদের আনন্দ পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে হবে। হেফাজত নেতৃদ্বয় আরও বলেন, সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষ যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং কুরবানির গোশতে অংশীদার হতে পারে, সে জন্য সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা জরুরি। পাশাপাশি কুরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। বার্তায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং ঈদযাত্রায় সড়ক ও ঘরবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ তৎপরতা কামনা করেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ দুই নেতা। আইও/ |