
|
ভাতার আওতায় আসছেন আরও আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন
প্রকাশ:
০৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৩৪ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জায় কর্মরত মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবাকর্মীকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাসিক সম্মানি ভাতা দেবে সরকার। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গঠিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সেলের সপ্তম সভায় এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য সেবাকর্মীদের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে প্রথম বছরেই দেশের মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশ উপকারভোগীকে এ ভাতা দেওয়া হবে। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৬৮ জন, ৩ হাজার মন্দিরের ৬ হাজার জন, ৭৫২টি বৌদ্ধবিহারের ১ হাজার ৫০৪ জন এবং ৩০১টি গির্জার ৬০২ জন ধর্মীয় সেবাকর্মী এ কর্মসূচির আওতায় সম্মানি পাবেন। ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবাকর্মীকে সম্মানি প্রদান করা হয়েছে। যেভাবে মিলবে সম্মানি সভায় জানানো হয়, মাসিক ভিত্তিতে— ইমাম, পুরোহিত, বিহার অধ্যক্ষ ও যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা। মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বিহার উপাধ্যক্ষ ও সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা। মসজিদের খাদেম পাবেন ২ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রত্যেক উপকারভোগী বছরে ২ হাজার টাকা উৎসব ভাতা পাবেন। উপকারভোগীর চাহিদা অনুযায়ী মোবাইল ব্যাংকিং অথবা সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এ অর্থ পরিশোধ করা হবে। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক এবং অর্থ বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরএইচ/ |