
|
উপদেষ্টা ডা. জাহেদকে দিল্লি বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ
প্রকাশ:
১৫ জুন, ২০২৬, ০৭:৩৯ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম খান মিলন। গতকাল ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা এবং যথাযথ কূটনৈতিক চিঠি থাকার পরও তাকে হেনস্থার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্য। সাইফুল আলম খান মিলন বিষয়টিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে অভিহিত করে মহান সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, যথাযথ কূটনৈতিক চিঠি দেওয়ার পরেও কেন তথ্য উপদেষ্টাকে ভারতের বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হলো, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শেষ পর্যন্ত তাকে ভারতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি অপমানে সেখান থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। এই ঘটনার পেছনে আমাদের কূটনৈতিক কোনো ব্যর্থতা কাজ করেছে কি না এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান তিনি। একই সঙ্গে এই স্পর্শকাতর ও জাতীয় মর্যাদার বিষয়ে সংসদে ৩০০ বিধিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট এবং আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি করেন এই সংসদ সদস্য। অবশ্য স্পিকার তার এই বক্তব্যকে পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ না করে বলেন, এটি পয়েন্ট অব অর্ডার না হলেও সদস্য চাইলে এ বিষয়ে পরে একটি নোটিশ দিতে পারেন এবং তখন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। গতকাল রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। সেখানে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল ডা. জাহেদের। কিন্তু কূটনৈতিক চিঠি দিয়ে আগে জানানোর পরও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ডা. জাহেদকে দিল্লিতে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে উচ্চ মহলের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সোমবার দুপুরে তিনি ঢাকায় ফিরেও এসেছেন। এই ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। আইও |