
|
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রকাশ:
১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:২৭ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, ভারত সরকার কিংবা বিমসটেকের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র রয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার গঠনের দিনই একটি আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ পরবর্তী সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার বিষয়ে বিষয়টি উঠে এসেছে। আমরা তাদেরকে বলেছি এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে। আমরা আশা করি, ভারত এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান স্তম্ভের একটি হলো বিচার বিভাগ। বাংলাদেশের একটি স্বাধীন আদালত তাকে দণ্ড দিয়েছে। তার কোনো বক্তব্য থাকলে তা আদালতে এসে বলা উচিত। অথচ তিনি দেশের বিচার বিভাগকে হেয় করছেন এবং ভারত সরকার তাকে সেই সুযোগ দিচ্ছে। আমরা প্রত্যাশা করি, কোনো দেশের সরকারই যেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোকে হেয় করার সুযোগ না দেয়।’ নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মন্তব্য ও বিচার বিভাগ নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া শহীদ ওসমান হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীরা ধরা পড়েছে। ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল সবই তাদেরকে দিয়েছি। এই বিষয়টা আলোচনায় এসেছে। আমাদের জন্য এটাও তো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। এই হত্যাকারীদেরকে যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কাছে প্রত্যর্পণ করার জন্য বলেছি। দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে ইতিবাচক পরিবেশ দরকার, সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টির ব্যাপারেও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সীমান্ত হত্যা কিংবা পুশ ইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো খুব সংক্ষেপে আমরা বলেছি। এগুলো তো প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনার নয়, এগুলো নিয়ে আমি গতকালই তার সঙ্গে আলাপ করেছি।’ আইও/ |