
|
মাওলানা ড. আনযার হুসাইন মিয়া রহ.: বর্ণাঢ্য খেদমতে সমৃদ্ধ জীবন
প্রকাশ:
২৫ জুন, ২০২৬, ০৩:২৮ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
|| মুহাম্মদ তাহের কাসেমী দেহলভী || দারুল উলূম দেওবন্দের মজলিসে শূরার সদস্য, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও মুরব্বি মাওলানা ড. সাইয়্যেদ আনযার হুসাইন মিয়া রহ.-এর ইন্তেকালে ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয় অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ জীবন তিনি দ্বীনী খেদমত, ইসলাহে উম্মত এবং তাসাউফের শিক্ষা প্রসারে নিবেদিত ছিলেন। মাওলানা ড. সাইয়্যেদ আনযার হুসাইন মিয়া রহ. ১৯৪৬ সালের ২১ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক হাদিস ও ফিকহের শিক্ষক, নাযিমে তালিমাত এবং নায়েবে মুহতামিম ফকীহুল ইসলাম মাওলানা সাইয়্যেদ আখতার হুসাইন মিয়া রহ.-এর পুত্র। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাঁর পিতার প্রিয় ও বিশেষ শিক্ষক ছিলেন ইমামুল আসর আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী (রহ.)। সেই সূত্রে পারিবারিকভাবে ‘আনোয়ার’ ও ‘আনযার’ নামের বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে আসছিলেন তাঁরা। তিনি তাঁর আকাবিরদের তাসাউফি সিলসিলা ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিস্তৃত করেন। উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, জম্মু-কাশ্মীর, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁর হাজারো মুরিদ ও অনুসারী রয়েছে, যারা তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আত্মশুদ্ধির সাধনায় নিয়োজিত ছিলেন। শিক্ষা ও প্রশাসনিক দায়িত্বেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল। মাদরাসা আসগরিয়ায় প্রায় পাঁচ দশক ধরে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় নায়েবে মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর প্রায় ২০ বছর নাযিমে তা’লিমাত হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর দ্বীনি খেদমতসমূহ কবুল করুন এবং সেগুলোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন—এমন দোয়া করেছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য মুসলিম। [সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া লেখাটি উর্দু থেকে অনূদিত] |