
|
বিহারে ৭৫০ মক্তব ও ৫১৫ আদর্শ মসজিদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য জমিয়তের
প্রকাশ:
৩১ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:৫৮ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ভারতের বিহারে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের অধীন জমিয়তে উলামায়ে বিহারের ব্যবস্থাপনা কমিটির একদিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে রাজ্যের ২৭টির বেশি জেলার সভাপতি, সংগঠকসহ বিপুলসংখ্যক সক্রিয় সদস্য অংশ নেন। রোববার (৩০ আগস্ট) ভাগলপুরে জমিয়তে উলামায়ে বিহারের উদ্যোগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে উলামায়ে বিহারের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ জাভেদ ইকবাল কাসেমি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ও দারুল উলুম দেওবন্দের শূরা সদস্য মাওলানা সাইয়্যেদ মাহমুদ আসাদ মাদানি এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসেমি। সকাল সাড়ে ৮টায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর জমিয়তের সংগীত পরিবেশন ও পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে মূল কার্যক্রম শুরু হয়। বৈঠক পরিচালনা করেন জমিয়তে উলামায়ে বিহারের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নাজিম কাসেমি। প্রধান বক্তব্যে মাওলানা সাইয়্যেদ মাহমুদ আসাদ মাদানী বলেন, বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্মের দ্বীন ও ঈমান রক্ষায় প্রতিটি জনবসতিতে সংগঠিত মক্তব প্রতিষ্ঠা ও সেগুলোকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, সমাজ ও জনবসতিকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে প্রতিটি এলাকায় ‘আদর্শ মসজিদ’ কার্যক্রম চালু করতে হবে। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ছোট ছোট সাংগঠনিক ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৈঠকে জমিয়তের বিভিন্ন শাখার পক্ষ থেকে একাধিক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ছিল শিক্ষা বোর্ড ও সংগঠিত মক্তব, আদর্শ মসজিদ, সমাজ সংস্কার, শরিয়াহ বিভাগ, মাদরাসা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম। এসব প্রস্তাব বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা সর্বসম্মতিক্রমে সমর্থন করেন। বৈঠকে বিহারের বিভিন্ন জেলার দায়িত্বশীলরা রাজ্যজুড়ে ৭৫০টি সংগঠিত মক্তব ও ৫১৫টি আদর্শ মসজিদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ঘোষণা করেন। এ ছাড়া সমাজ সংস্কারের লক্ষ্যে ৭৬৭টি কর্মসূচি আয়োজন এবং ৮০০টির বেশি নতুন সাংগঠনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। সমাপনী অধিবেশনে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসেমি সংগঠনের পূর্বসূরি আলেমদের ত্যাগ ও অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি নতুন প্রজন্মের ধর্মীয় ও নৈতিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ভাগলপুর ও নওগাছিয়া মহকুমার দায়িত্বশীল মাওলানা আসজাদ নজরী নজর। তিনি বৈঠক সফল করতে সহযোগিতাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসেমির আবেগঘন দোয়ার মধ্য দিয়ে বৈঠকের সমাপ্তি হয়। সূত্র: জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ফেসবুক পেইজ আইও/ |