
|
তিস্তার ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, ঝুঁকিতে আরও ২৫০
প্রকাশ:
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪২ রাত
নিউজ ডেস্ক |
গাইবান্ধায় প্রায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিস্তায় ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে সুন্দরগঞ্জের কাপাশিয়া ইউনিয়নের লালচামার এলাকা শতাধিক পরিবার। এ ছাড়া ভাঙনের মুখে রয়েছে আরো ২৫০ পরিবার। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ২০৫ সেন্টিমিটার এবং করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের চকরহিমাপুর স্টেশন পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪৯০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সব নদ-নদীতেই পানি বৃদ্ধির প্রবণতা রয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত আরও ২০টি পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে আংশিক বিলীন হয়ে যায়। সব মিলিয়ে শতাধিক বাড়িভিটা পুরো ও আংশিক তিস্তায় বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার দুপুরে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ওই এলাকায় ভাঙনের মুখে রয়েছে আরো প্রায় আড়াই শ পরিবার। এসব পরিবারে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কাপাশিয়া ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম বলেন, এই এলাকা ভাঙনপ্রবণ। ভাঙনের মুখে আরো পরিবার রয়েছে। পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিং করতে পারলে মানুষের আশ্রয়স্থল, বিদ্যালয়, গাছপালা, জমি রক্ষা করা সম্ভব। পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করেছে। এখন তাদের ওপর ভরসা রাখতেই হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে সহায়তা দেওয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সেখানে পাউবো কাজ শুরু করেছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় অনুমতি প্রাপ্তি সাপেক্ষে ওই এলাকায় পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এসএইচ/ |