কওমি মাদরাসার অবদান সমাজের সামনে তুলে ধরতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩৫ রাত
নিউজ ডেস্ক

ইমরান ওবাইদ, নিউজ ডেস্ক : 

কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ইতিবাচকতা। এ জন্য কওমি মাদরাসা কী এবং শিক্ষা, সমাজ ও বিশ্বে এর অবদান কী—তা ধারাবাহিকভাবে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, লেখক, কলামিস্ট ও শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন।

তিনি বলেন, কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মাদরাসার পরিচয় ও অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা। এর মাধ্যমে মানুষ কওমি শিক্ষাব্যবস্থার প্রকৃত ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারবে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচার প্রতিরোধ, দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা এবং সমকালীন আদর্শিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।

মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন বলেন, কওমি মাদরাসাকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও চর্চা অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সমাজের মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে মাদরাসা কেবল এমন কিছু মানুষ তৈরি করে, যারা মাঝেমধ্যে সমাজের প্রয়োজনে কাজে আসে। অথচ মাদরাসা শিক্ষার অবদান এর চেয়ে অনেক বিস্তৃত।

তিনি বলেন, কওমি মাদরাসার অবদানগুলো যদি একটি একটি করে জাতির সামনে তুলে ধরা যায়, তাহলে কাউকে আলাদা করে দাবি জানাতে হবে না। বরং সরকার নিজেই বিষয়গুলো উপলব্ধি করে জবাবদিহি করতে এবং দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চাইতে বাধ্য হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের প্রতি আরও যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। এমন সক্ষমতা তৈরি করতে হবে, যাতে গণমাধ্যমের চোখে চোখ রেখে তার ভাষায় নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরা যায়। এ বছরের অবশিষ্ট সময় এবং নতুন বছরে শিক্ষার ক্ষেত্রে এসব বিষয় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে চিন্তাভাবনা ও কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এসএইচ/