শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো গাইবান্ধার ৩ দিনের ইজতেমা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো গাইবান্ধার তাবলীগ জামায়াতের আয়োজনে তিন দিনের জেলা ইজতেমা।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে এই মোনাজাতে লাখো মুসল্লী অংশ নেয়। মোনাজাত করেন কাকরাইল জামে মসজিদের শূরা মুরব্বি মাওলানা আব্দুল্লাহ শেখ।

মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। প্রায় ২৫ মিনিটের এই মোনাজাতে আকাশপানে হাত তুলে আল্লাহর দরবারে কান্নায় ভেঙে পড়েন অর্ধ লক্ষাধিক মুসল্লি।

প্রথম দিন থেকেই ইজতেমা ময়দানে আসতে থাকেন ধর্মভিরু মানুষেরা। তবে শেষ দিনেও ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল ইজতেমা ময়দান। আশপাশের কৃষি জমি, আঞ্চলিক মহাসড়ক, বসতবাড়ি, ছাত্রাবাস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

আখেরি মোনাজাত শেষে ইজতেমা ময়দান ত্যাগকালে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তাবলীগ জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

গাইবান্ধা জেলা ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির জানান, “জেলা ভিত্তিক আঞ্চলিক ইজতেমার অংশ হিসেবে গাইবান্ধায় এ আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তা এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে।”

এরআগে গত ৫ ডিসেম্বর ফজরের নামেজের পর পরই তুলশীঘাটের কাশিনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ।এতে অংশ নেন গাইবান্ধার পার্শ্ববর্তী জেলার মুসল্লীরাসহ শ্রীলংকা ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের তাবলীগ জামায়াতের মুরুব্বিরা।

ইজতেমার মাঠে বিশাল শামিয়ানা স্থাপন করে মুসল্লিদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয়। অস্থায়ী টয়লেট, অজু ও গোসলের জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখেন আয়োজকরা। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমায় মুসল্লিদের হৃদয়ে এক অভূতপূর্ব প্রার্থনার আবেশ তৈরি করে। ইসলামের শান্তি ও ন্যায়ের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারী মুসুল্লিরা।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ