শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

সিলেটের সাবেক মন্ত্রীসহ ৯০ জনের নামে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সিলেটে সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ ৯০ জনের নামে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দেন সিলেট নগরের তোপখানা সুরমা ভ্যালি এলাকার বাসিন্দা মো. রাশেদ আহমদ।

আদালতে অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী রিপন চন্দ্র দাশ বলেন, অভিযোগ দায়েরের পর আদালত সেটি আমলে নিয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানা–পুলিশকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন সাবেক সংসদ সদস্য শফিউল আলম চৌধুরী, রঞ্জিত চন্দ্র সরকার ও হাবিবুর রহমান, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ফজলুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের এপিএস কয়েছ চৌধুরী,  সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ প্রমুখ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ আগস্ট বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সিলেট নগরের সুরমা মার্কেট পুলেরমুখ এলাকায় বাদীসহ শতাধিক মোটরসাইকেলের একটি মিছিল হয়। এ সময় আসামিরা মিছিলে সশস্ত্র হামলা চালান। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে বাদী মো. রাশেদ আহমদকে হত্যা করতে গুলি চালালে তিনি বাঁ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। রাশেদ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আসামিরা তাঁকে রামদা, কিরিচ ও চাপাতি দিয়ে আঘাত করেন। অভিযুক্তরা হাত বোমা, পেট্রল বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক তৈরি করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সিলেট কেতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের আদেশ আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটা পর্যন্ত থানায় পৌঁছায়নি। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ