শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

ছাত্র আন্দোলনে আহত-শহীদদের স্মরণে বরিশালে সভা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বরিশাল ব্যুরো

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সভা করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। শনিবার দুপুরে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতেই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন এবং অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া করা হয়।

জেলা প্রশাসন আয়োজিত স্মরণসভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার।

স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. রায়হান কাওছার, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক, বরিশাল ক্যাম্প কমান্ডার মেজর হাফিজ, জেলা পুলিশ অতিরিক্ত সুপার আলাউল হাসান, বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসান, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক ও সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

স্মরণ সভায় ৩০ শহীদের পরিবারের সদস্য ও ১০২ জন আন্দোলনে আহত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আহতদের ১০০০ টাকা করে আর্থিক অনুদান এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ হাজার টাকা করে তুলে দেয়া হয়।

এছাড়াও জুলাই বিপ্লবে বরিশাল জেলায় আহত ও নিহতদের পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেয় জেলা প্রশাসন।

স্মরণসভায় প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার সমন্বিত গণঅভ্যুত্থানে দেশের জনগণ এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে।

জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ এখন সবার দায়িত্ব। গণঅভ্যুত্থানে নতুন একটি অধ্যায় সূচনা হয়েছে। আমরা চাই আধুনিক ও বৈষম্যহীন সমাজ। বাংলাদেশে কোন বৈষম্য থাকতে পারে না। সবাইকে নিয়ে আমরা যেন সুন্দর বাংলাদেশ, সুন্দর সমাজ ও সুন্দর বিশ্ব গড়তে পারি।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ