শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে অতেচন করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রমোদ চক্রবর্তী (৪৬) নামে এক সমবায় সমিতির পরিচালকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারী ওই সমিতির হিসাবরক্ষক। তিনি প্রমোদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শনিবার দুপুরে অভিযোগটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত প্রমোদ চক্রবর্তী মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার হেলাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভার নামা বাজারের কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক। এ ছাড়া নিজেকে একজন চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাভার বাজার রোডের অগ্রণী ব্যাংক ভবনের ছয় তলায় কাশবন নামে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি পরিচালিত হয়। সেখানে গত এক বছর ধরে হিসাবরক্ষক হিসাবে কাজ করতেন ভুক্তভোগী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও তার ওজন কম। এ কথা জেনে প্রমোদ চক্রবর্তী নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীকে মুখে খাওয়ার ভিটামিন দেন। তা ছাড়া তাকে ইনজেকশন নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রমোদের পরামর্শ অনুযায়ী তিন মাস ধরে ভুক্তভোগী এসব ওষুধ সেবন করে আসছিলেন। গত ৪ ডিসেম্বর প্রমোদ তাকে শেষবার ইনজেকশন নিতে বলেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ঘটনার দিন প্রমোদ আমার হাতে ইনজেকশন পুশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি অচেতন হয়ে পড়ি। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারি প্রমোদ আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমি চিৎকার করলে তিনি পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি কাশবন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা গীতা অধিকারী সুমিতাকে জানাই।

পরে তারা দুজনে মিলে আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন, বিষয়টি নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না করি। এসব ঘটনার পর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেছি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক জুয়েল মিঞা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ