বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


মুসলিম জাহানের খেদমত করছে সৌদি আরব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

[caption id="attachment_12296" align="alignleft" width="457"]salman-bin-a-aziz সৌদি আরবের বর্তমান বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ[/caption]

আব্দুল্লাহ এইচএম আল-মুতাইরি

সৌদি আরবের জাতীয় দিবস একটি মহান দিন, যা রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় পর্যায়ে পালন করা হয়। এ বছর এটা দেশটির একত্রীকরণের চুরাশিতম বছরের স্মরণে পালন করা হচ্ছে। আর এটা ১৩৫১ হিজরি মোতাবেক ১৯৩২ সালের ইতিহাস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। যেহেতু রাজকীয় সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা (আল্লাহ তাহার প্রতি রহম করুন) বাদশাহ আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান আল সাউদ দেশটিকে একীভূত করতে সক্ষম হন এবং আরব উপদ্বীপের জনগণকে রাজনৈতিক ও সামাজিক বন্ধনে একত্রিত করেন, এ কথা স্মরণ করে আজ আমাদের অন্তর গর্ব ও সম্মানে ভরে যায়। যখন আমরা দেখি কালেমা তাওহিদ খচিত পতাকা সৌদি আরবের আকাশে পতপত করে উড়ছে, আর এটা আমাদের এক নিকট ইতিহাসের গভীরে ডুব দিতে আহ্বান করে, যাতে আমরা ঘটনা বুঝতে পারি যে, এই পতাকার জন্য কত ঝড়-ঝঞ্ঝা পাড়ি দিতে হয়েছে। আর এই পতাকার উত্তোলনকারীগণ আরব বাজপাখি বাদশাহ্ আব্দুল আযীযের (আল্লাহ তার কবরকে আলোকিত করুন) নেতৃত্বে তারা উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাই আজকে আমরা সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উদযাপনের গুরুত্ব অনুধাবন করি। এ দেশ বিচ্ছিন্নতা, উদভ্রান্ততা ও ধ্বংসের সব কিছুকে বিদায় দিয়েছে, যাতে করে এটা সব অগ্রগতি ও সভ্যতার দরজায় কড়া নাড়ে এবং মহাসম্মানের শীর্ষ চূড়ায় উন্নীত হতে পারে।
এ মহান দিন উপলক্ষে আমাদের সবাইকে যে বিষয়টি উল্লেখ করতেই হয় তা হল, সৌদি আরব মুসলিম জাহানের জন্য যে বিশাল খেদমতের ব্যবস্থা করেছে, এটা এদেশের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড। সুতরাং এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। এদেশ ওহির অবতীর্ণ হওয়ার স্থল, রিসালাতের সূচনা স্থল এবং মুসলমানদের কিবলা।
তাই এ দেশ শুরু থেকেই ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য বিশ্বের আনাচে-কানাচে মসজিদ ও নামাজের ঘর তৈরি করেছে। আর এটা মূলত শুরু হয়েছে পবিত্র দুই মসজিদের মাধ্যমেই। এই দুই মসজিদের সর্বযুগের বৃহত্তম সম্প্রসারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাই বর্তমানে হজ খুবই স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সহজ হয়েছে, যা পূর্বে ছিল খুবই কষ্টসাধ্য। এই পবিত্র দুই মসজিদের বিশাল ইমারত প্রত্যেক মুসলমানের গর্বের স্থানে পরিণত হয়েছে। তেমনিভাবে আল্লাহর ঘরের হাজী ও মসজিদে নববি জিয়ারতকারীগণ সব সুবিধা ভোগ করছেন। আর তাদের খেদমতের কাজকে এই রাষ্ট্র বিশেষ প্রাধান্য দিয়েছে এবং সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে, যা দূরের-কাছের সবাই অবলোকন করছে।
অতঃপর আল্লাহর কিতাবের মুদ্রণ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত লাখ লাখ কপি ছাপানোর কাজ করছে, যাতে করে যে যে-ভাষাভাষী বা যেখানেই অবস্থানকারী হোক না কেন, প্রত্à