রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বৈষম্য ‘মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি সিলেট’-এর উদ্যোগে তাফসিরুল কোরআন মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত সৌদিতে চারটি ড্রোন ভূপাতিত, সামরিক সহায়তায় প্রস্তুত মিসর ডি-৮ মহাসচিবের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য জোরদারে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে: আসজাদ মাদানি নতুন প্রজন্মকে হাদিস অধ্যয়নে আগ্রহী করতে ‘হাসানাহ হাদিস অলিম্পিয়াড ২০২৭’ সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন

সিলেটে হেনস্থার শিকার মুফতি রিজওয়ান রফিকী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rizwan_rafiqiমোস্তফা ওয়াদুদ: সম্প্রতি ওয়াজের মাঠে তরুণদের মধ্যে খ্যাতি পেয়েছেন মুফতি রিজওয়ান রফিকী। তার বয়ানের মেয়াদকাল মাত্র ৪ বছর হলেও স্বল্প সময়ে তিনি দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

সম্প্রতি এ বক্তা সিলেটে চরম হেনস্থার শিকার হয়েছেন। আয়োজকরা তাকে নানারকম ভোগান্তিতে ফেলেছেন। নানারকম হয়রানিও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর প্রোগ্রাম ছিল সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার বিছানাকান্দী গ্রামে। একই দিন প্রোগ্রাম ছিল কুমিল্লার বরুরা থানাধীন শরাফত গ্রামের মাদরাসায়। তাই বাদ জোহর সিলেটের বয়ান শেষ করে রাতের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই কুমিল্লা পৌঁছে দেয়ার কথা বলে রিজওয়ান রফিকীকে নিয়ে যান সিলেট মাহফিল কর্তৃপক্ষ। তারপর কথা রক্ষা না করে দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত বিভিন্ন অজুহাতে আঁটকে রাখেন। এতে কুমিল্লার মাহফিলে যেতে বিঘ্ন ঘটে।

এ ব্যাপারে ফোনালাপে প্রতিবেদককে বিস্তারিত জানান মুফতি রিজওয়ান রফিকী। তিনি বলেন, এদিন কুমিল্লায় মাহফিল থাকায় আমি সিলেটের দাওয়াত রাখতে চাইনি। কিন্তু সিলেট মহাফিলের কর্তৃপক্ষ আমাকে বাদ জোহর বয়ান এবং কুমিল্লার প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে পৌঁছে দেবে বলে প্রোগ্রামের জন্য রাজি করায়। মূলত তারা গত নভেম্বরে ৭ তারিখ জাফলংয়ে করা আমার মাহফিলের কারণে অামার প্রতি আকৃষ্ট হয়।

তিনি বলেন, সিলেট শহর থেকে ৪০ মিনিটের দূরত্বের কথা বলে আমাকে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে প্রাইভেট গাড়িতে যেতে সময় লাগে ২ ঘন্টা ২০ মিনিট। রাস্তা খারাপ হওয়ায় মোটর সাইকেল যোগে অারো প্রায় অাধা ঘন্টা যেতে হয় মাহফিল স্থানে। ফলে প্রচণ্ড কষ্ট হয় অামার। মাঝখানে গাড়ির বাম্পার নষ্ট হওয়ায় চাকার মেরামত করতে হয়। শেষ পর্যন্ত জোহরের আগে সেখানে পৌঁছলেও বাদ জোহর আমাকে বয়ান করতে দেয়নি। জোহরের পরপরই অারেক বক্তাকে উঠিয়ে দিয়ে তারপর দেয়া হয় আমাকে। আর এতে বয়ান শেষ করে রওয়ানা দিতে দিতে প্রায় মাগরিব হয়ে যায়।

মুফতি রফিকী বলেন, এর মাঝে তারা আমাকে যেসব কষ্ট দিয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তারা আমাকে মারাত্মকভাবে অপমান করেছে। তাদের কষ্টের কারণে আমার চোখে পানি চলে এসেছে। নীরবে কান্না করেছি। সর্বশেষে সেখানের এক মুরব্বির সহযোগিতায় ফিরে আসি।
অাসার সময় একটা মোটর সাইকেলের ব্যবস্থাও তারা করে দেইনি।

তিনি বলেন, বয়