সাজিদ নূর সুমন : আমাদের দেহের স্বাস্থ্য ও ভালো থাকায় হজম প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। হজম প্রক্রিয়ার মানে শুধু খাদ্য ভাঙ্গা এবং দেহকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা নয়। একটি ভালো হজম প্রক্রিয়ার মানে হলো একটি দীর্ঘ এবং রোগমুক্ত জীবন। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যবান হওয়ার রহস্য লুকিয়ে থাকে মূলত অন্ত্রে। আর এ কারণেই সঠিক খাবার খাওয়া এবং দেহকে প্রয়োজনীয় সব উপাদান সরবরাহ করা এবং হজম প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি সক্রিয় রাখার মাধ্যমে দেহের যত্ন নিতে হবে।
হজম প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃদ সবগুলো অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সমানভাবে সক্রিয় রাখতে যথাযথ পরিমাণে খাবার খেতে হবে। কমও নয় আবার বেশিও নয়। এজন্য দেহের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। দেহই আপনাকে বলে দিবে কখন সে ক্ষুধার্থ আর কখন ক্ষুধার্ত নয়। খাবার ভালোভাবে হজম করার জন্য পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। এবং খুব ঠাণ্ডা বা ফ্রিজে রাখা খাবার খাওয়া যাবে না। গপাগপ করে না খেয়ে বরং ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে। খাবার খাওয়ায় অনিয়ম করা যাবে না।
খাবার ভালোভাবে হজম করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হজম প্রক্রিয়ায় অগ্নির ভারসাম্য বজায় রাখা। অনেক সময় অগ্নির ঘাটতির ফলে গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম এবং সাকালে হাঁটতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দেয়। আবার অগ্নির বাহুল্যের কারণে জ্বালাপোড়া, ডায়রিয়া এবং বিরক্তি ভাব দেখা দেয়। অগ্নির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এবং সঠিক খাবারটি খেতে হবে। এবং প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে হবে। আপনি যদি একবেলায় অনেক বেশি খাবার খান এবং পরের বেলায় কিছুই না খান তাহলে অগ্নির ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর কোন খাবারের সঙ্গে কোন খাবার খেলে সর্বোচ্চ হারে পুষ্টি শোষণ হবে তাও জানতে হবে।
এখানে এমন কয়েকটি মশলার তালিকা দেওয়া হলো যা এই অগ্নি বা হজম শক্তি বাড়ায়।
জিরা : গ্যাস ও অম্বলের মতো সমস্যা থেকে রেহাই পেতে এই মশলাটির ব্যবহার অনেক পুরোনো। এতে আরো রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান যা পাকস্থলীর ব্যাথা এবং অস্বস্থিকর অনুভূতি দূর করে।
হলুদ : রান্নায় এর ব্যবহার না হলেই নয়। এটি শুধু তরকারির রঙ্গ সুন্দর করার জন্যই নয় বরং রোগ নিরাময়ের জন্যও ব্যবহার করা হয়। এটি একই সঙ্গে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক নাশক। এছাড়া ক্যান্সার, জিনগত ত্রুটি এবং প্রদাহ পà§