বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আপত্তি নেই মরিয়ম পরিবারের গাজী নজরুলের জামিনে ‘প্রতিবাদের নামে অশ্লীলতা ছড়ানোর কর্মসূচি প্রত্যাহার করুন’ চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজীবন স্বপ্ন সাধ ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ‘বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বললে জনগণই বিচার করবে’  মক্কায় রাইড-হেইলিং সেবা চালু করল ইনড্রাইভ ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়তে হবে, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়তে হবে’ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিন গাড়িতে আগুন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকারের

হাফেজদের কল্যাণে কাজ করছেন হাফেজ নায়েব আলী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাফেজদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করছে জাতীয় হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। সংগঠনটির উদ্যোগে আজ রাজধানীতে ৫ প্রবীন ও ১১ তরুণ হাফেজকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। ২০১১ সালে যাত্রার পর সংগঠনটি এবার সাত বছরে পা দিয়েছে। এ পর্যন্ত চারবার শ্রেষ্ট হাফেজদের সংবর্ধনা দিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির পেছনে যিনি শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি হাফেজ মাওলানা নায়েব আলী। ২০০৮ সালে দাওরা (মাস্টার্স) শেষ করেন জামিয়া সিদ্দিকিয়া দারুস সালাম মিরপুর থেকে। এর আগে জামিয়া আরাবিয়া মিরপুর ১২ থেকে হাফেজ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি শ্যামলীর সড়ক জনপদ বিভাগের মসজিদের দায়িত্বে আছেন। এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে তার স্ত্রীর পরিচালনায় একটি মহিলা মাদরসা এবং কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে রয়েছে একটি হিফজখানা। এগুলোতেও সময় দেন তিনি।

আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথোপকথনে গতকাল তিনি হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে জানালেন বিস্তারিত।

আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ানের সঙ্গে মুঠোফোনে তিনি বলেন, হাফেজদের দেখভাল, দরিদ্র হাফেজদের ব্যয়বহন, অসহায় হাফেজদের চিকিৎসাসহ আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন হাফেজদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠনটির লক্ষ। গত ৭ বছর ধরে তিনি এটি নিয়ে মেহনত করছেন। বছরে একটি বড় প্রোগ্রাম করলেও সারা বছর হাফেজদের আরও কল্যাণে ছোট ছোট কাজ করেন বলে জানালেন।

হাফেজদের কল্যাণে সংগঠনের কেন প্রয়োজন এমন প্রশ্নে হাফেজ নায়েব আলী বলেন, আইনুল আরেফিন নামের এক হাফেজ দুবাইয়ে কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার পর একটা পত্রিকায় সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল। সেখানে তিনি বলেছিলেন আমি বিশ্বে প্রথম হলাম অথচ এয়ারপোর্টে আমাকে নেয়ার মতো বা অভিনন্দন জানানোর মতো কেউ আসেনি।

এই সাক্ষাৎকার পড়ার পর আমার কষ্ট হয়। এসব ছাড়াও হাফেজদের আরও নানারকম সমস্যা রয়েছে। মেধাবী হাফেজদের তেমন একটা কদর করা হয় না। সব চিন্তাকে সামনে রেখে ২০১১ সালে প্রথম ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করি আমরা। যা এখন হাফেজদের কাছে বেশ পরিচিতি পেয়েছে।

হাফেজ নায়েব আলী বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ৪০-৪৫ জন পুরস্কারপ্রাপ্ত মেধাবী হাফেজকে সংবর্ধনা দিয়েছি। এটি একটি উৎসাহ যা একজন হাফেজকে তার উদ্দেশ্য পূরণে সহায়তা করে। এছাড়াও হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রবীণ হাফেজদের জন্য কাজ করে। তাদের অবদানের স্বীকৃতিই এর উদ্দেশ্à¦