মুহাম্মাদ শোয়াইব : তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার আহবান জানিয়েছে ‘রবিততু উলামায়িল মুসলিমীন’, ‘জমইয়্যাতু আরকা’, ‘আল ইনসানিয়্যাহ’সহ বিশটির বেশি ইসলামি সংগঠন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে যোগদান করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওলামায়ে কেরাম। মিশর, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান, ইরাক, লেবানন, মরোক্কোসহ আরও অনেক দেশ। পাশাপাশি তুরস্কে সক্রিয় বেশ কিছু ইসলামি সংগঠন। তারা মুসলমানদের ওপর মিয়ানমারের উগ্র বৌদ্ধ সেনাবাহিনীর পৈশাচিক আক্রমণ ও গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের আহ্বান জানান।
সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এই সম্মেলনে মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করারও দাবি জানানো হয়।
নেতারা বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য ‘ইনসান ভাকফি’র সঙ্গে আমরা সবাই মানবিক সহায়তা অংশ গ্রহণ করব।
‘রবিততু উলামায়িল মুসলিমীন’ এর মহাসচিব শেখ মুহাম্মাদ বলেন, বিশটিরও অধিক বিভিন্ন ইসলামি ও মানবিক সংগঠন রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাঁচানোর জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান। পাশাপাশি মানবাধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, তথ্য সরবরাহের জন্য মিডিয়া ও মানবিক সাহায্যের জন্য বিভিন্ন সাহায্য সংস্থাকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রবেশের অনুমতি দান করার আহবান জানান।
নেতারা বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসা, তাদের সব ধরনের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করা সবার ঈমানি দায়িত্ব। বিশেষত ইসলামি বিশ্বের জন্য এটা খুবই জরুরি।
তারা আরও বলেন, আমরা তুর্কি সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ভূমিকা খুবই প্রশংসনীয়। তিনি ইদের ছুটির সময় এই সঙ্কট নিয়ে বিভিন্ন মুসলিম দেশের নেতাদের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এমনকি জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। এরদোগান বলেছেন, এ মাসের শেষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলবেন।
তাছাড়া তিনি গত মঙ্গলবার মিয়ানমারের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাজনৈতিক নেত্রী à