বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলা জমিয়তের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ঢাকাস্থ জামালপুর জেলা ওলামা পরিষদের পুরস্কার প্রদান ৩ অক্টোবর মাঝ আকাশে ককপিটে দুই পাইলটের মারামারি, ছুরিকাহত একজন সিদ্ধিরগঞ্জের গ্লোবাল এডুকেশনে প্রধান ও সহকারী বাবুর্চি নিয়োগ সায়েদাবাদের দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর হচ্ছে কাঁচপুরে : ডিএসসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪৮ জন মিরপুরে সংঘর্ষ: সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের আপত্তি নেই মরিয়ম পরিবারের গাজী নজরুলের জামিনে ‘প্রতিবাদের নামে অশ্লীলতা ছড়ানোর কর্মসূচি প্রত্যাহার করুন’ চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

লিবিয়ায় হলে মিয়ানমারে কেন জাতিসংঘের নেতৃতে বোমা বর্ষণ নয়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলী আব্দুল মুন্তাকিম
অতিথি লেখক, আওয়ার ইসলাম

২০১১ সালের শুরুতে যখন আরব বসন্ত তুঙ্গে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একটি সমীক্ষায় দেখাল যে লিবিয়ার শাসক (তাদের চোখে স্বৈরশাসক) মুয়াম্মার আল গাদ্দাফি নিরিহ মানুষ হত্যা করছেন, সংখ্যায় ৩০০০ এর মত। আর যায় কোথায়! অ্যামেরিকা-ন্যাটো শুরু করল বোমা বর্ষণ। তামা হল লিবিয়ার মাটি। ৩ ভাগ হল শাসন, মুয়াম্মার আল গাদ্দাফি নির্মমভাবে নিহত হলেন। অ্যামেরিকা-ন্যাটোর বোমা বর্ষণ কিন্তু নিয়মের বাইরে হয়নি। জাতিসংঘের ‘আর-টু-পি’ তত্ত বা নিয়মের অধীনে জাতিসংঘের অনুমোদনেই বিমান হামলা করে লিবিয়াকে পঙ্গু করা হয়।

সামরিক অভিযান বা বিমান হামলাই হল ‘আর-টু-পি’ এর অ্যাকশন। নিরীহ জনগণকে গণহত্যা, যুদ্ধ অপরাধ, জাতিগত নির্মূল অভিজান বা বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়াবার দায়িত্ব বোধ থেকে ২০০৫ সালে জাতিসংঘের সম্মেলনে এই প্রস্তাব পাশ বা নীতি গৃহীত হয়।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন নিয়ে লিবিয়া ধংস করলেও ইসরাইলের ফিলিস্তিন শিশু হত্যায় ‘আর-টু-পি’ এর অ্যাকশন নিতে দেখা যায়নি। সেখানে না হয় অ্যামেরিকার স্বার্থ জড়িত ছিল, কিন্তু বার্মায় তো অতটা অ্যামেরিকার স্বার্থ জড়িত নয়,থাকলেও চিন ঢুকতে দেবে বলে মনে হয় না। সুতরাং ওখানে তো ‘আর-টু-পি’ এর অ্যাকশন আমেরিকার প্রস্তাবে শুরু হতে পারে। একটা জাতি রক্ষায় যা অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন জঘন্য হত্যাকাণ্ড কেউ কোনদিন দেখেনি।

রাখাইন বা আরাকানে যা ঘটছে দুএকটি উদাহরণ এমন-

১. ২৫/৩০ বছরের যুবকদের ট্রাকের চাকায় বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। চিৎকারে আসমান কেঁপেছে। নির্দয় খুনি বৌদ্ধ সেনাদের মন গলেনি।

২. ৩৫/৪০ বছর বয়সীদের পিঠমোড়া বাঁধ দিয়ে উপুড় করে শুইয়ে শরিরের মাংসগুলো কেটে কেটে আলগা করা হয়েছে।

৪. তরবারির আঘাতে মসজিদের ঈমাম ও মুয়াজ্জিনদের টুকরা টুকরা করা হয়েছে।

৫. বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে, গলা টিপে বা পানিতে চুবিয়ে মারা হয়েছে শিশুদের।

6. ঘর-বাড়ি,স্কুল-কলেজ,বাজার-দোকান জ্বালিয়ে নিশ্চিন্ন করে দেয়া হয়েছে।

7. গরু-ছাগল,ফসলের মাঠ সব ধ্বংশ করে বিরানভূমি বানানো হয়েছে।

আরও শত দৃশ্য